০৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সৈয়দপুরে শাহ হোটেলে খাবারে কাপড়ের রং ব্যবহারের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

সৈয়দপুরে তদারকি অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নীলফামারী কার্যালয়। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত  এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় ক্ষতিকর রঙ ব্যবহার করার দায়ে এক অভিজাত হোটেল মালিকের ১০ হাজার ও এক চাল ব্যবসায়ী ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির নীলফামারীর সহকারী পরিচালক শামসুল আলম। তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলার স্বাস্থ্য পরিদর্শক আলতাফ হোসেন ও সৈয়দপুর থানা পুলিশ।
ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন শহরের শহীদ ডা: জিকরুল হক সড়কে অবস্থিত ‘শাহ এন্ড নিরিবিল’ নামে এক হোটেলে আকস্মিক এক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় ওই হোটেলে খাবার তৈরিতে কাপড়ে দেয়া মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রং ব্যবহারের চিত্র দেখতে পান।
এতে করে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ অনুসারে হোটেল মালিকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মূল্য তালিকা না থাকায় জহুরুল হক সড়কে অবস্থিত ইমরান নামে এক চাল ব্যবসায়ীর ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
শামসুল আলম বলেন, ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ ও পন্যের মান সমুন্নত এবং বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণে এ ধরণের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

সৈয়দপুরে শাহ হোটেলে খাবারে কাপড়ের রং ব্যবহারের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৩:৩২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪
সৈয়দপুরে তদারকি অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নীলফামারী কার্যালয়। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত  এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় ক্ষতিকর রঙ ব্যবহার করার দায়ে এক অভিজাত হোটেল মালিকের ১০ হাজার ও এক চাল ব্যবসায়ী ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির নীলফামারীর সহকারী পরিচালক শামসুল আলম। তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলার স্বাস্থ্য পরিদর্শক আলতাফ হোসেন ও সৈয়দপুর থানা পুলিশ।
ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন শহরের শহীদ ডা: জিকরুল হক সড়কে অবস্থিত ‘শাহ এন্ড নিরিবিল’ নামে এক হোটেলে আকস্মিক এক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় ওই হোটেলে খাবার তৈরিতে কাপড়ে দেয়া মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রং ব্যবহারের চিত্র দেখতে পান।
এতে করে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ অনুসারে হোটেল মালিকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মূল্য তালিকা না থাকায় জহুরুল হক সড়কে অবস্থিত ইমরান নামে এক চাল ব্যবসায়ীর ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
শামসুল আলম বলেন, ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ ও পন্যের মান সমুন্নত এবং বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণে এ ধরণের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।