০৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতার্ত মানুষের মাঝে রংপুর পুলিশ কমিশনারের কম্বল বিতরণ

তীব্র শীতের মধ্যে শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মজিদ আলী। নিজ উদ্যোগে তিনি নগরীর বিভিন্ন স্থানে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

গতকাল রোববার  দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীর স্বজনদের হাতে কম্বল তুলে দেন পুলিশ কমিশনার। এর আগে নগরীর রেলওয়ে স্টেশনে ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝেও কম্বল বিতরণ করা হয়।

এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, উপ-পুলিশ কমিশনার (হেডকোয়ার্টার্স) হাবিবুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) তোফায়েল আহমেদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গত কয়েক দিন ধরে উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে গরম কাপড়ের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কম্বল পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কম্বল পেয়ে নীলফামারী থেকে আসা ষাটোর্ধ্ব আবুল হোসেন বলেন, রোগী নিয়ে হাসপাতালে এসেছি। নিজের জন্য কোনো গরম কাপড় ছিল না। এই কম্বল পাওয়ায় অন্তত রাতে ঠান্ডা কিছুটা কমবে।

ঠাকুরগাঁও থেকে আসা সাবরিনা আখতার বলেন, কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড ঠান্ডায় ভুগছি। পুলিশ কম্বল দেওয়ায় খুব উপকার হয়েছে।

নগরীর রেলওয়ে স্টেশনে ভাসমান মানুষ আমজাদ হোসেন বলেন, কে কম্বল দিল জানি না, শুধু জানি গায়ে জড়িয়ে এখন একটু গরম লাগছে। আল্লাহ তাদের ভালো রাখুক।

কম্বল বিতরণকালে পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী বলেন, “প্রচণ্ড শীতের কারণে মানুষের কষ্ট খুব বেশি। আমরা সীমিত পরিসরে অন্তত ৫০ জনের বেশি মানুষকে কম্বল দেওয়ার চেষ্টা করছি। এ সময় বিত্তবানদেরও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।”

এদিকে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাড়ে সাত হাজার করে কম্বল সরবরাহ করা হয়েছে, যা বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কম্বলের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সচিবালয়ে ব্যানার

শীতার্ত মানুষের মাঝে রংপুর পুলিশ কমিশনারের কম্বল বিতরণ

আপডেট সময় : ০৪:১৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

তীব্র শীতের মধ্যে শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মজিদ আলী। নিজ উদ্যোগে তিনি নগরীর বিভিন্ন স্থানে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

গতকাল রোববার  দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীর স্বজনদের হাতে কম্বল তুলে দেন পুলিশ কমিশনার। এর আগে নগরীর রেলওয়ে স্টেশনে ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝেও কম্বল বিতরণ করা হয়।

এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, উপ-পুলিশ কমিশনার (হেডকোয়ার্টার্স) হাবিবুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) তোফায়েল আহমেদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গত কয়েক দিন ধরে উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে গরম কাপড়ের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কম্বল পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কম্বল পেয়ে নীলফামারী থেকে আসা ষাটোর্ধ্ব আবুল হোসেন বলেন, রোগী নিয়ে হাসপাতালে এসেছি। নিজের জন্য কোনো গরম কাপড় ছিল না। এই কম্বল পাওয়ায় অন্তত রাতে ঠান্ডা কিছুটা কমবে।

ঠাকুরগাঁও থেকে আসা সাবরিনা আখতার বলেন, কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড ঠান্ডায় ভুগছি। পুলিশ কম্বল দেওয়ায় খুব উপকার হয়েছে।

নগরীর রেলওয়ে স্টেশনে ভাসমান মানুষ আমজাদ হোসেন বলেন, কে কম্বল দিল জানি না, শুধু জানি গায়ে জড়িয়ে এখন একটু গরম লাগছে। আল্লাহ তাদের ভালো রাখুক।

কম্বল বিতরণকালে পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী বলেন, “প্রচণ্ড শীতের কারণে মানুষের কষ্ট খুব বেশি। আমরা সীমিত পরিসরে অন্তত ৫০ জনের বেশি মানুষকে কম্বল দেওয়ার চেষ্টা করছি। এ সময় বিত্তবানদেরও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।”

এদিকে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাড়ে সাত হাজার করে কম্বল সরবরাহ করা হয়েছে, যা বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কম্বলের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

শু/সবা