০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসর বা ফজরের পর কি তাওয়াফের নামাজ আদায় করা যাবে?

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪
  • 196

তাওয়াফে সাতবার কাবা প্রদক্ষিণ করা শেষ হলে দুই রাকাত নামাজ পড়া ওয়াজিব। এ দুই রাকাত নামাজ মাকামে ইবরাহিমের পেছনে পড়া উত্তম। ভিড়ের কারণে জায়গা না পেলে মসজিদে হারামের যে কোনো জায়গায় বা হারামের সীমার ভেতরে যে কোনো জায়গায় তাওয়াফের নামাজ পড়া যায়।

আসর বা ফজরের পর তাওয়াফ করলেও তাওয়াফের দুই রাকাত নামাজ তখন পড়বে না; বরং সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের পর আদায় করবে।

আতা (রহ.) থেকে বর্ণিত ওমর (রা.) একদিন ফজরের পর তাওয়াফ করে যুতুয়া নামক স্থানে চলে যান। সূর্য উদিত হয়ে এবং ওপরে উঠে যাওয়ার পর তিনি তাওয়াফের দুরাকাত নামাজ পড়েন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ১৩৪২৬)

উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বলেন, ফজর বা আসরের পর তাওয়াফ করতে পারো তবে নামাজ পরে পড়বে। সূর্য অস্ত যাওয়া বা উদিত হওয়ার পর প্রত্যেক তাওয়াফের জন্য দুরাকাত করে পড়ে নেবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ১৩৪২৪)

হারামের সীমার বাইরে তাওয়াফের নামাজ পড়া মাকরুহ; কিন্তু কেউ পড়লে ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে।

 

 

স/ম

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আসর বা ফজরের পর কি তাওয়াফের নামাজ আদায় করা যাবে?

আপডেট সময় : ০৩:০২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

তাওয়াফে সাতবার কাবা প্রদক্ষিণ করা শেষ হলে দুই রাকাত নামাজ পড়া ওয়াজিব। এ দুই রাকাত নামাজ মাকামে ইবরাহিমের পেছনে পড়া উত্তম। ভিড়ের কারণে জায়গা না পেলে মসজিদে হারামের যে কোনো জায়গায় বা হারামের সীমার ভেতরে যে কোনো জায়গায় তাওয়াফের নামাজ পড়া যায়।

আসর বা ফজরের পর তাওয়াফ করলেও তাওয়াফের দুই রাকাত নামাজ তখন পড়বে না; বরং সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের পর আদায় করবে।

আতা (রহ.) থেকে বর্ণিত ওমর (রা.) একদিন ফজরের পর তাওয়াফ করে যুতুয়া নামক স্থানে চলে যান। সূর্য উদিত হয়ে এবং ওপরে উঠে যাওয়ার পর তিনি তাওয়াফের দুরাকাত নামাজ পড়েন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ১৩৪২৬)

উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বলেন, ফজর বা আসরের পর তাওয়াফ করতে পারো তবে নামাজ পরে পড়বে। সূর্য অস্ত যাওয়া বা উদিত হওয়ার পর প্রত্যেক তাওয়াফের জন্য দুরাকাত করে পড়ে নেবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ১৩৪২৪)

হারামের সীমার বাইরে তাওয়াফের নামাজ পড়া মাকরুহ; কিন্তু কেউ পড়লে ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে।

 

 

স/ম