নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ীর কোটবাড়ীয়া গ্রামে মাছ কবীরের বাড়ীর মৃত সালাউদ্দিন খোকনের ছেলে জুবায়ের হোসেন ফরহাদ (২৪) প্রতিহিংসার স্বীকার। বাড়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে ফরহাদ ছাড়াও প্রতিপক্ষের আক্রশে স্বীকার হয়েছেন ফরহাদের বোন ফারহানা আক্তার ফারিয়া ও ভাই ফয়সাল। বর্তমানে ফরহাদের পরিবারের সদস্যরা ঘর ছেড়ে অন্যত্রে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং আতংকে দিনাতিপাত করছে।
সরজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, ফরহাদের ঘর তালাবদ্ধ, অত্যাচার, নির্যাতন ও হয়রানির ভয়ে ফরহাদের পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। ফরহাদের বাড়ীর মোজাহারুল ইসলাম সম্পর্কে তার চাচা। বাড়ির জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। মোজাহারুল ফরহাদের জায়গা দখল করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে আসছে। অবশেষে প্রভাবশালী মহলের সহায়তা এবং থানা পুলিশকে প্রভাবিত করে গত ২৭ ডিসেম্বর ফরহাদকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাকে ২ দিন থানায় রেখে ২৮ ডিসেম্বর ফালাহিল্যাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় মোজাহারুল ইসলামের ছেলে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়। তাকে এ মামলার ১ নং আসামী করে কোট হাজতে প্রেরণ করা হয়। ২ দিন তাকে থানায় আটকে রাখলেও ফরহাদের পরিবারের সদস্যদের তার সাথে দেখা করতে দেওয়া হয় নাই। এবং কি কারনে তাকে আটক করা হয়েছে তাও জানানো হয় নাই।
কিছুদিন পূর্বে মোজাহারুল বাড়ীতে টয়লেটের টাংকি বসানোর সময় ফরহাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। তখন মোজাহারুল ফরহাদকে দেখিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। বর্তমানে ফরহাদ এ মামলায় কারাগারে রয়েছে। ফরহাদের বাড়ীর রিপন জানান, ফরহাদের জায়গায় টয়লেটের টাংকি বসানো নিয়ে তাদের দুইজনের মধ্যে তর্ক হয়। তখন থেকে ফরহাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি শুরু করে এবং উদ্দেশ্যমূলক ভাবে ফারহাদকে মাদ্রাসায় তার ছেলেকে নির্যাতনের মামলায় জড়িয়ে দেন। ফরহাদের বোন ফারিয়াকে বিভিন্ন লোকজন দিয়ে অপবাদ দিচ্ছে এবং হয়রানি করছে। মোজাহারুল জানান, তার ছেলের উপর মাদ্রাসায় নির্যাতন করা হয়েছে যার জন্য তিনি মামলা করেছেন। ফরহাদের বোন ফারিয়া জানান তাদের বাড়ী থেকে মাদ্রাসা ১ কিলোমিটার দুরে। তার ভাইয়ের সাথে মাদ্রাসার কোন সম্পর্ক নাই। কাজেই ফরহাদ মাদ্রাসার ছাত্র নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত থাকার কোন কারন থাকতে পারে না। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার ওসি (তদন্ত) কাজী মোঃ সুলতান আহসান উদ্দিন জানান, মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে ফরহাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে ঘটনার সাথে জড়িত কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে কোন কথা বলা যাবে না।

























