নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মর্যাদার চ্যাপেল-হ্যাডলি ট্রফি প্রথমবার চালু হয় ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে। এর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া ট্রফিটি জিতেছে সাতবার, নিউজিল্যান্ড জিতেছে চারবার। ড্র হয়েছে দু’বার। প্রথম সিরিজটিও ড্রয়ে হয়েছিল। সেই কিউই-অজিদের মর্যাদার চ্যাপেল-হ্যাডলি ট্রফি এতদিন খেলা হতো শুধু ওয়ানডে ফরম্যাটে। তাসমান পারের দুই দেশের এই লড়াইয়ে এবার যুক্ত হলো টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট। আগামীকাল বুধবার ওয়েলিংটনে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এই দ্বৈরথ। পরিবর্তনের ফলে ট্রফিটি যখন ব্যাক-টু-ব্যাক ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলা হবে। তখন দুই ফরম্যাটে দ্বৈরথটিতে থাকবে একটি পয়েন্ট সিস্টেম। দ্রুত সময়ে ট্রফির হাত বদল রুখতেই এই কৌশল।
ওয়েলিংটনে আগামীকাল বুধবার শুরু হবে অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ডের তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। পরের দুই ম্যাচ শুক্র ও রোববার। এই সিরিজ দিয়েই শুরু হবে ২০ ওভারের সংস্করণে চ্যাপেল-হ্যাডলি ট্রফির পথচলা। চ্যাপেল-হ্যাডলি ট্রফিতে সাদা বলের দুই সংস্করণই যুক্ত হওয়ায়, যখন পরপর ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলা হবে তখন দুই সিরিজ মিলিয়ে থাকবে একটি পয়েন্ট সিস্টেম। যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ট্রফি হাত বদল না হয়।
দুই দলের এই লড়াইয়ের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া এখন পর্যন্ত ট্রফিটি জিতেছে সাতবার। আর নিউ জিল্যান্ডের জয় চারবার। প্রথম সিরিজটিসহ ড্র হয়েছে দুইবার। নতুন করে এই ট্রফিতে টি-টোয়েন্টি সংস্করণ যোগ করায় নিউ জিল্যান্ডের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার স্যার রিচার্ড হ্যাডলির পরিবারের পক্ষ থেকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, ‘এটা দারুণ ব্যাপার যে, এখন ট্রফিটা আরো বেশি সমৃদ্ধ হবে। ২০ ওভার ও ৫০ ওভারের ব্যাক-টু-ব্যাক সিরিজের ক্ষেত্রে নতুন পদ্ধতিটি আমার পছন্দ হয়েছে। এতে সবগুলো ম্যাচই প্রাসঙ্গিক হবে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য ট্রফির জন্য লড়াই চলবে- অনেক ম্যাচ খেলতে হবে।’
চ্যাপেল-হ্যাডলি ট্রফির জন্য টি-টোয়েন্টিতেও অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ডের লড়াই দেখতে মুখিয়ে আছেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং গ্রেট গ্রেগ চ্যাপেল।
























