০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সোনারগাঁয়ের ধর্ষণ মামলার আসামী সিদ্ধিরগঞ্জে গ্রেফতার

র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এর আভিযানিক দল সোনারগাঁওয়ে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী ফুলচাঁন মিয়া (৫৫)কে সিদ্ধিরগঞ্জ হতে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-১১’র আদমজীনগর সদর দপ্তরের মিডিয়া অফিসার মেজর অনাবিল ইমাম বৃহম্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জনান, বুধবার গভীর রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, মামলার সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার ভট্টপুর গ্রামের আমির হোসেনের বড় ছেলে সুজন ফ্রান্স প্রবাসী। তার মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী। গ্রেফতারকৃত আসামী ফুলচান মিয়া ফ্রান্স প্রবাসী সুজনের প্রতিবেশী হয় এবং পাশাপাশি বাসার স্থানীয় বাসিন্দা। সেই সুবাদে পারিবারিক প্রয়োজনে প্রায়ই আসামী ফুলচাঁন মিয়ার বাসায় যাওয়া আসা করত। এক পর্যায়ে বিভিন্ন সময় ও সুযোগে কৌশলে আসামী ফুলচাঁন মিয়া মেয়ের বুকে হাত দিত এবং বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে উত্যক্ত করত। ফ্রান্স প্রবাসী সুজনের ছোট ভাই রুবেল ফ্যান্স হতে দেশে ছুটিতে আসার সুবাদে প্রতিবেশীদের প্রত্যেকের ঘরে ঘরে চকলেট বিতরণ করে। মেয়েটি চকলেট নিয়ে গত ৮ ফেব্রæয়ারি সন্ধ্যায় আসামী ফুলচাঁন মিয়ার বাসায় গেলে আসামী তার বাসায় কোন লোক না থাকায় সুযোগ নিয়ে ঘরের দরজা জানালা লাগিয়ে মেয়েটিকে ফুসলিয়ে ও প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার পর মেয়েটি মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে পরিবারের কাউকে কিছু বলেনি। ঘটনার পর থেকে ধর্ষণের শিকার মেয়েটি বেশির ভাগ সময়ই মন খারাপ করে বাসায় চুপ চাপ বসে থাকত এবং কারো সাথে কথা বলত না। সময় সুযোগে ফুলচাঁন মিয়া একাদিকবার মেয়েটির সাথে অবৈধ মেলামেশা করে। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে দেয়। পরে ধর্ষণের শিকার মেয়েপির দাদা বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।
রাব কর্মকর্তা আরো জানান, ধর্ষণের সাথে জড়িত আসামী ফুলচাঁন মিয়াকে গ্রেফতার করার লক্ষ্যে র‍্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ, সিপিএসসি কোম্পানি এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তার অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ফুলচাঁন মিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে র‌্যাব-১১ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সোনারগাঁয়ের ধর্ষণ মামলার আসামী সিদ্ধিরগঞ্জে গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৬:০৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এর আভিযানিক দল সোনারগাঁওয়ে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী ফুলচাঁন মিয়া (৫৫)কে সিদ্ধিরগঞ্জ হতে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-১১’র আদমজীনগর সদর দপ্তরের মিডিয়া অফিসার মেজর অনাবিল ইমাম বৃহম্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জনান, বুধবার গভীর রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, মামলার সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার ভট্টপুর গ্রামের আমির হোসেনের বড় ছেলে সুজন ফ্রান্স প্রবাসী। তার মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী। গ্রেফতারকৃত আসামী ফুলচান মিয়া ফ্রান্স প্রবাসী সুজনের প্রতিবেশী হয় এবং পাশাপাশি বাসার স্থানীয় বাসিন্দা। সেই সুবাদে পারিবারিক প্রয়োজনে প্রায়ই আসামী ফুলচাঁন মিয়ার বাসায় যাওয়া আসা করত। এক পর্যায়ে বিভিন্ন সময় ও সুযোগে কৌশলে আসামী ফুলচাঁন মিয়া মেয়ের বুকে হাত দিত এবং বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে উত্যক্ত করত। ফ্রান্স প্রবাসী সুজনের ছোট ভাই রুবেল ফ্যান্স হতে দেশে ছুটিতে আসার সুবাদে প্রতিবেশীদের প্রত্যেকের ঘরে ঘরে চকলেট বিতরণ করে। মেয়েটি চকলেট নিয়ে গত ৮ ফেব্রæয়ারি সন্ধ্যায় আসামী ফুলচাঁন মিয়ার বাসায় গেলে আসামী তার বাসায় কোন লোক না থাকায় সুযোগ নিয়ে ঘরের দরজা জানালা লাগিয়ে মেয়েটিকে ফুসলিয়ে ও প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার পর মেয়েটি মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে পরিবারের কাউকে কিছু বলেনি। ঘটনার পর থেকে ধর্ষণের শিকার মেয়েটি বেশির ভাগ সময়ই মন খারাপ করে বাসায় চুপ চাপ বসে থাকত এবং কারো সাথে কথা বলত না। সময় সুযোগে ফুলচাঁন মিয়া একাদিকবার মেয়েটির সাথে অবৈধ মেলামেশা করে। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে দেয়। পরে ধর্ষণের শিকার মেয়েপির দাদা বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।
রাব কর্মকর্তা আরো জানান, ধর্ষণের সাথে জড়িত আসামী ফুলচাঁন মিয়াকে গ্রেফতার করার লক্ষ্যে র‍্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ, সিপিএসসি কোম্পানি এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তার অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ফুলচাঁন মিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে র‌্যাব-১১ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।