০৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে সোহরাওয়ার্দী কলেজ লাইব্রেরি বেড়েছে আসন সংখ্যা

নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের লাইব্রেরি। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন করে ৩০ টি আসন এবং শিক্ষকদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাড়ানো হয়েছে।

লাইব্রেরিতে আসন সংকট কলেজটির দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রায় সাড়ে আট হাজার শিক্ষার্থীদের জন্য লাইব্রেরিতে আসন সংখ্যা খুবই নগন্য হওয়ায় এবার কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আসন বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবং ভবিষ্যতে এ আসন সংখ্যা আরোও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে লাইব্রেরিয়ান খন্দকার মোঃ সবুর আলম বলেন, ভবিষ্যতে আমরা টোকেনের মাধ্যমে লাইব্রেরিতে বই পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের প্রবেশ নিশ্চিত করবার পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা চাই সত্যিকারের পাঠক এখানে আসুক, জ্ঞান অর্জন করুক। পুরো ক্যাম্পাস আমাদের লাইব্রেরির অংশ। লাইব্রেরি থাকলে কলেজ বাচঁবে, লাইব্রেরি যদি মারা যায় তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেঁচে থাকতে পারে না।

এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমরা প্রথমে অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য লাইব্রেরির অভ্যন্তরে বসার ব্যবস্থা করতে চাই। কিন্তু যদি বাইরে বসার জায়গা পূর্ণ হয়ে যায় তাহলে সুযোগ সাপেক্ষে প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় বর্ষ এমনকি ইন্টারমিডিয়েটদের শিক্ষার্থীরাও লাইব্রেরির মধ্যে বই পড়তে পারবেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে লাইব্রেরিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পাঠ্যক্রম অনুসারে নতুন বই সংযোজন, লাইব্রেরি কার্ডের সময় বর্ধনের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে সোহরাওয়ার্দী কলেজ লাইব্রেরি বেড়েছে আসন সংখ্যা

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪

নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের লাইব্রেরি। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন করে ৩০ টি আসন এবং শিক্ষকদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাড়ানো হয়েছে।

লাইব্রেরিতে আসন সংকট কলেজটির দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রায় সাড়ে আট হাজার শিক্ষার্থীদের জন্য লাইব্রেরিতে আসন সংখ্যা খুবই নগন্য হওয়ায় এবার কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আসন বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবং ভবিষ্যতে এ আসন সংখ্যা আরোও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে লাইব্রেরিয়ান খন্দকার মোঃ সবুর আলম বলেন, ভবিষ্যতে আমরা টোকেনের মাধ্যমে লাইব্রেরিতে বই পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের প্রবেশ নিশ্চিত করবার পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা চাই সত্যিকারের পাঠক এখানে আসুক, জ্ঞান অর্জন করুক। পুরো ক্যাম্পাস আমাদের লাইব্রেরির অংশ। লাইব্রেরি থাকলে কলেজ বাচঁবে, লাইব্রেরি যদি মারা যায় তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেঁচে থাকতে পারে না।

এছাড়াও তিনি আরও বলেন, আমরা প্রথমে অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য লাইব্রেরির অভ্যন্তরে বসার ব্যবস্থা করতে চাই। কিন্তু যদি বাইরে বসার জায়গা পূর্ণ হয়ে যায় তাহলে সুযোগ সাপেক্ষে প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় বর্ষ এমনকি ইন্টারমিডিয়েটদের শিক্ষার্থীরাও লাইব্রেরির মধ্যে বই পড়তে পারবেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে লাইব্রেরিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পাঠ্যক্রম অনুসারে নতুন বই সংযোজন, লাইব্রেরি কার্ডের সময় বর্ধনের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন।