প্রথম দল হিসেবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে ইরান। মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও বিশ্বকাপে তাদের অংশ গ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের সহ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্ক ভালো না থাকায় ইরানি ফুটবলারদের ভিসা পাওয়া অনিশ্চিত।
যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি এবারের বিশ্বকাপের সহআয়োজক কানাডা ও মেক্সিকো। গত ডিসেম্বরে বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠান বর্জন করার ঘোষণা দিলেও ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ইরান। ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে।
ইরানে চলমান বিক্ষোভের জেরে গত কয়েক দিনে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। ফলে নতুন করে আবারো সংকট তৈরি হয়েছে।
যদি ইরান বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে বা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে না পারে তাহলে ফিফার নিয়মাবলী অনুযায়ী একটি দলের পরিবর্তে ‘নির্ধারিত বিকল্প দলকে রাখা হবে, যা সাধারণত সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার প্লে-অফের সরাসরি রানার-আপ বা সেই মহাদেশের উচ্চতম র্যাংকিংয়ে থাকা বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করতে না পারা দল।’
সেক্ষেত্রে সুযোগ পেতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাত। কারণ তারা ইরানের পেছনে থেকে নিজেদের এশিয়ান গ্রুপে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা যোগ্য দল ছিল।
এবার বিশ্বকাপ শুরু ১১ জুন থেকে, এখনো সময় বাকি আছে। শেষ পর্যন্ত ইরান বিশ্বকাপে খেলবে নাকি অন্য কোন দল তার বদলে খেলবে সেটি দেখার।
এমআর/সবা
























