০২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমিন বাজার থেকে নারী পাচারচক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার

সাভারের ভরারী এলাকা থেকে নারী পাচারচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঢাকা জেলার সাভারে তিন তরুণীকে চাকরী দেয়ার নাম করে যৌনপল্লীতে পাচারকালে ৫ নারী পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এসময় ভুক্তভোগীদেরকেও উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সাভার মডেল ধানাধীন আমিনবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন ওর রশিদ। এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে সাভারের ভরারী এলাকার স্থানীয় পোড়া বাবুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার গুয়াতলা গ্রামের মৃত এরফান ব্যাপারীর ছেলে খলিল ব্যাপারী (৪২), একই এলাকার আব্দুল আজিজের মেয়ে ও খলিল ব্যাপারীর স্ত্রী লাইলী বেগম (৩৫) ও বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার বড়কোঠা গ্রামের মো. জালাল শরিফের মেয়ে তানজিলা আক্তার ফাতেমা (২৫), টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি গ্রামের সিংগাইর গ্রামের মৃত ফটিক মিয়ার ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (৩৯) ও সাভারের ভরারী বটতলা এরাকার মো. শরিফ মিয়ার মেয়ে ও স্থানীয় নজরুর ইসলামের স্ত্রী মিথিলা আক্তার (২০)। তারা সবাই সাভারের ভরারী এলাকায় ভাড়া থেকে নারী পাচার চক্রের সাথে জড়িত ছিলো।
এরা পাঁচজনই নারী পাচারকারী দলের সদস্য। এরা প্রথমে বিভিন্ন জেলার গ্রাম থেকে আসা গরিব অসহায় সুন্দরী মেয়েদেরকে টার্গেট করে, পরবর্তীতে ফুসলাইয়া নিজেদের ভাড়াটিয়া বাসায় নিয়ে যায়, চাকরির প্রলোভন দিয়ে ও বিভিন্ন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি দেওয়ার নামে বা হোটেলে চাকরি দেওয়ার নামে লোভনীয় বেতনের লোভ দেখাইয়া, প্রথমে পতিতাবৃত্তিতে আবদ্ধ করে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পতিতালয় বিক্রি করে দেয়,যাহা ভিকটিমেরা জানতো না। আমিন বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ সবুজ বাংলা’কে বলেন,কতটা মানসিক মানবিক বিকৃত মনা লোক হলে এইসব কাজ করতে পারে। সকলের প্রতি অনুরোধ থাকবো বিশেষ করে নারী জাতিদের প্রতি, দয়া করে অপরিচিত লোকের দ্বারা চাকরির প্রলোভনে পরে নিজের জীবনকে বিপদে ফেলবেন না। আমরা আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্প পুলিশ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাঁচজন মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করি এবং তাহাদের হেফাজত হইতে তিনজন গরীব অসহায় পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করতে সক্ষম হই। সচেতন হওয়া বিশেষ জরুরী বলে তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তরা চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অসহায় নারীদের প্রথমে একটি ফ্ল্যাটে আটকে রেখে অসামাজিক কার্যকলাপে বাধ্য করতো। এর কিছুদিন পরে তাদের রাজবাড়ির দৌলতদিয়া, টাংগাইল ও ময়মনসিংহ এলাকায় বিভিন্ন যৌনপল্লীতে বিক্রি করে দিত। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে ।
জনপ্রিয় সংবাদ

আমিন বাজার থেকে নারী পাচারচক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৮:১২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪
সাভারের ভরারী এলাকা থেকে নারী পাচারচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঢাকা জেলার সাভারে তিন তরুণীকে চাকরী দেয়ার নাম করে যৌনপল্লীতে পাচারকালে ৫ নারী পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এসময় ভুক্তভোগীদেরকেও উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সাভার মডেল ধানাধীন আমিনবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন ওর রশিদ। এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে সাভারের ভরারী এলাকার স্থানীয় পোড়া বাবুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার গুয়াতলা গ্রামের মৃত এরফান ব্যাপারীর ছেলে খলিল ব্যাপারী (৪২), একই এলাকার আব্দুল আজিজের মেয়ে ও খলিল ব্যাপারীর স্ত্রী লাইলী বেগম (৩৫) ও বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার বড়কোঠা গ্রামের মো. জালাল শরিফের মেয়ে তানজিলা আক্তার ফাতেমা (২৫), টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি গ্রামের সিংগাইর গ্রামের মৃত ফটিক মিয়ার ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (৩৯) ও সাভারের ভরারী বটতলা এরাকার মো. শরিফ মিয়ার মেয়ে ও স্থানীয় নজরুর ইসলামের স্ত্রী মিথিলা আক্তার (২০)। তারা সবাই সাভারের ভরারী এলাকায় ভাড়া থেকে নারী পাচার চক্রের সাথে জড়িত ছিলো।
এরা পাঁচজনই নারী পাচারকারী দলের সদস্য। এরা প্রথমে বিভিন্ন জেলার গ্রাম থেকে আসা গরিব অসহায় সুন্দরী মেয়েদেরকে টার্গেট করে, পরবর্তীতে ফুসলাইয়া নিজেদের ভাড়াটিয়া বাসায় নিয়ে যায়, চাকরির প্রলোভন দিয়ে ও বিভিন্ন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি দেওয়ার নামে বা হোটেলে চাকরি দেওয়ার নামে লোভনীয় বেতনের লোভ দেখাইয়া, প্রথমে পতিতাবৃত্তিতে আবদ্ধ করে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পতিতালয় বিক্রি করে দেয়,যাহা ভিকটিমেরা জানতো না। আমিন বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ সবুজ বাংলা’কে বলেন,কতটা মানসিক মানবিক বিকৃত মনা লোক হলে এইসব কাজ করতে পারে। সকলের প্রতি অনুরোধ থাকবো বিশেষ করে নারী জাতিদের প্রতি, দয়া করে অপরিচিত লোকের দ্বারা চাকরির প্রলোভনে পরে নিজের জীবনকে বিপদে ফেলবেন না। আমরা আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্প পুলিশ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাঁচজন মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করি এবং তাহাদের হেফাজত হইতে তিনজন গরীব অসহায় পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করতে সক্ষম হই। সচেতন হওয়া বিশেষ জরুরী বলে তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তরা চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অসহায় নারীদের প্রথমে একটি ফ্ল্যাটে আটকে রেখে অসামাজিক কার্যকলাপে বাধ্য করতো। এর কিছুদিন পরে তাদের রাজবাড়ির দৌলতদিয়া, টাংগাইল ও ময়মনসিংহ এলাকায় বিভিন্ন যৌনপল্লীতে বিক্রি করে দিত। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে ।