১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে ৭৬৪ বোতল মদ ও ৪৫০ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস

শেরপুরে আদালতের নির্দেশে বিভিন্ন মামলায় জব্দ ৭৬৪ বোতল ভারতীয় মদ ও ৪৫০ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে শেরপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।
জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর ঝিনাইগাতী থানার এসআই রাজিব ভৌমিকের নেতৃত্বে ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্ত লাগোয়া গোমরা গ্রামের পাহাড়ি এলাকায় ৮টি সবুজ ও সাদা প্লাস্টিকের বস্তায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ২২৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একই বছরের ৩ ডিসেম্বর ঝিনাইগাতী থানার এসআই মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলার সীমান্তবর্তী সন্ধ্যাকুড়া গ্রাম থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৫টি হলুদ রংয়ের প্লাস্টিকের বস্তায় ৫৪০ বোতল ভারতীয় মদ এবং ২টি প্লাস্টিকের বস্তায় ৪৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
ওইসব ঘটনায় থানায় দুটি পৃথক সাধারণ ডায়েরী করা হয় এবং জব্দকৃত মাদকদ্রব্য আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে সিনিয়র জুডিসিয়াল মাজিস্ট্রেট ফারিন ফারজানা  ওইসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার আদেশ দেন।
আদেশ মোতাবেক বুধবার বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল মাহমুদ ও  মেহেদী হাসানের উপস্থিতিতে ওইসব মাদকদ্রব্য রোলার দিয়ে গুড়িয়ে ও ভেঙে ধ্বংস করা হয়। ওইসময় কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার শহীদুল হক, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির সাইফুল ইসলাম, ঝিনাইগাতী থানার এসআই আব্দুল মালেকসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে ৭৬৪ বোতল মদ ও ৪৫০ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস

আপডেট সময় : ১০:২৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
শেরপুরে আদালতের নির্দেশে বিভিন্ন মামলায় জব্দ ৭৬৪ বোতল ভারতীয় মদ ও ৪৫০ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে শেরপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।
জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর ঝিনাইগাতী থানার এসআই রাজিব ভৌমিকের নেতৃত্বে ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্ত লাগোয়া গোমরা গ্রামের পাহাড়ি এলাকায় ৮টি সবুজ ও সাদা প্লাস্টিকের বস্তায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ২২৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একই বছরের ৩ ডিসেম্বর ঝিনাইগাতী থানার এসআই মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলার সীমান্তবর্তী সন্ধ্যাকুড়া গ্রাম থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৫টি হলুদ রংয়ের প্লাস্টিকের বস্তায় ৫৪০ বোতল ভারতীয় মদ এবং ২টি প্লাস্টিকের বস্তায় ৪৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
ওইসব ঘটনায় থানায় দুটি পৃথক সাধারণ ডায়েরী করা হয় এবং জব্দকৃত মাদকদ্রব্য আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে সিনিয়র জুডিসিয়াল মাজিস্ট্রেট ফারিন ফারজানা  ওইসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার আদেশ দেন।
আদেশ মোতাবেক বুধবার বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল মাহমুদ ও  মেহেদী হাসানের উপস্থিতিতে ওইসব মাদকদ্রব্য রোলার দিয়ে গুড়িয়ে ও ভেঙে ধ্বংস করা হয়। ওইসময় কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার শহীদুল হক, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির সাইফুল ইসলাম, ঝিনাইগাতী থানার এসআই আব্দুল মালেকসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।