০২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাভারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি

ঢাকা জেলা সাভারের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন।  “বৈষম্য নিপাত যাক-পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মুক্তি পাক” এ ¯স্লোগানকে সামনে রেখে বৈষম্য দূরীকরণসহ অভিন্ন চাকুরী-বিধি বাস্তবায়নের দাবীতে সাভারে মানববন্ধন কর্মসূচী ও কর্মবিরতি পালন করেছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সোমবার সকাল থেকে সারাদেশের ন্যায় সাভার পৌরসভার গেন্ডায়  ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেন। মানব-বন্ধন কর্মসূচিতে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ শিমুলতলা জোনাল অফিসের ডিজিএম মো: মাহবুবুর রহমান, এজিএম মাহবুবুর রহমান, মুক্তাদির, মনিরুজ্জামান, আব্দুল মোতালিব, পাওয়ার হাউজ কো-ওর্ডিনেটর খোরশেদ আলম, লাইনম্যান গ্রেড-১ কামাল আহম্মেদ ও দুর্ঘটনায় আহত লাইনম্যান জাহিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
এসময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বৈষম্য চলে আসছে। কথায় কথায় চাকুরী থেকে ছাটাই করা হয়। কোন বোনাস দেওয়া হয় না। এমনকি কর্মঘন্টারও নিশ্চয়তা নেই। নিন্মমানের বৈদ্যুতিক মালামাল ক্রয়ের মাধ্যমে বঙ্গুর বিতরণ ব্যবস্থা, অবকাঠামো নির্মাণ, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগত জটিলতা, পলিসি প্রণয়নে অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে গ্রাহকরা সুফল হতে বঞ্চিত হচ্ছে। যে কারণে বৈষম্য দূরীকরণসহ অভিন্ন চাকুরী-বিধি বাস্তবায়নের দাবীতে আন্দোলনে নেমেছেন। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে নিয়োজিত একমাত্র প্রতিষ্ঠান পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহক প্রায় ১২ কোটি। সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা দিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝড়বৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মাথায় নিয়ে দিন-রাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন । কিন্তু সমিতির তদারকি প্রতিষ্ঠান পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) দ্বৈত নীতির কারণে ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছেন দেশের ৮০টি পল্লী  বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এবিষয়ে ঢাকা পল্লী  বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোল্লা আবুল কালাম আজাদ বলেন,  আমি আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলেছি। আগামী ৫জুলাই বিদুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব স্যার সারাদেশের ৮০টি পল্লী  বিদ্যুৎ সমিতির প্রতিনিধির সাথে কথা বলবেন। এটা আমাদের জন্য বড় সুযোগ। সেখানে আন্দোলনকারীদের সকল দুঃখ কষ্ট ও দাবির বিষয়ে উপস্থাপন করতে পারবেন। তাই আমি ঢাকা পল্লী  বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর অভিভাবক হিসেবে কর্মবিরতী স্থগিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।
সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘোষিত দুই দাবি
১। স্মার্ট ও টেকসই বিদ্যুৎব্যবস্থা বিনির্মাণে আরইবি-পিবিএস একীভূত করণসহ অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন করতে হবে।
২। ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎব্যবস্থা সচল রাখতে এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নের জন্য সব চুক্তিভিত্তিক ও অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিত করতে হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি

আপডেট সময় : ০৫:১৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪
ঢাকা জেলা সাভারের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন।  “বৈষম্য নিপাত যাক-পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মুক্তি পাক” এ ¯স্লোগানকে সামনে রেখে বৈষম্য দূরীকরণসহ অভিন্ন চাকুরী-বিধি বাস্তবায়নের দাবীতে সাভারে মানববন্ধন কর্মসূচী ও কর্মবিরতি পালন করেছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সোমবার সকাল থেকে সারাদেশের ন্যায় সাভার পৌরসভার গেন্ডায়  ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেন। মানব-বন্ধন কর্মসূচিতে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ শিমুলতলা জোনাল অফিসের ডিজিএম মো: মাহবুবুর রহমান, এজিএম মাহবুবুর রহমান, মুক্তাদির, মনিরুজ্জামান, আব্দুল মোতালিব, পাওয়ার হাউজ কো-ওর্ডিনেটর খোরশেদ আলম, লাইনম্যান গ্রেড-১ কামাল আহম্মেদ ও দুর্ঘটনায় আহত লাইনম্যান জাহিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
এসময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বৈষম্য চলে আসছে। কথায় কথায় চাকুরী থেকে ছাটাই করা হয়। কোন বোনাস দেওয়া হয় না। এমনকি কর্মঘন্টারও নিশ্চয়তা নেই। নিন্মমানের বৈদ্যুতিক মালামাল ক্রয়ের মাধ্যমে বঙ্গুর বিতরণ ব্যবস্থা, অবকাঠামো নির্মাণ, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগত জটিলতা, পলিসি প্রণয়নে অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে গ্রাহকরা সুফল হতে বঞ্চিত হচ্ছে। যে কারণে বৈষম্য দূরীকরণসহ অভিন্ন চাকুরী-বিধি বাস্তবায়নের দাবীতে আন্দোলনে নেমেছেন। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে নিয়োজিত একমাত্র প্রতিষ্ঠান পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহক প্রায় ১২ কোটি। সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা দিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝড়বৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মাথায় নিয়ে দিন-রাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন । কিন্তু সমিতির তদারকি প্রতিষ্ঠান পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) দ্বৈত নীতির কারণে ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছেন দেশের ৮০টি পল্লী  বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এবিষয়ে ঢাকা পল্লী  বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোল্লা আবুল কালাম আজাদ বলেন,  আমি আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলেছি। আগামী ৫জুলাই বিদুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব স্যার সারাদেশের ৮০টি পল্লী  বিদ্যুৎ সমিতির প্রতিনিধির সাথে কথা বলবেন। এটা আমাদের জন্য বড় সুযোগ। সেখানে আন্দোলনকারীদের সকল দুঃখ কষ্ট ও দাবির বিষয়ে উপস্থাপন করতে পারবেন। তাই আমি ঢাকা পল্লী  বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর অভিভাবক হিসেবে কর্মবিরতী স্থগিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।
সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘোষিত দুই দাবি
১। স্মার্ট ও টেকসই বিদ্যুৎব্যবস্থা বিনির্মাণে আরইবি-পিবিএস একীভূত করণসহ অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন করতে হবে।
২। ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎব্যবস্থা সচল রাখতে এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নের জন্য সব চুক্তিভিত্তিক ও অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিত করতে হবে।