০১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রিশালে চাঁদাবাজীর বিচার দেওয়ায় সাবেক নৌবাহিনী সদস্যের উপর হামলা

ময়মনসিংহের ত্রিশালে রিয়াদ নামের এক কিশোর চাঁদাবাজি করায় তার বড় ভায়ের কাছে বিচার দেওয়ায় সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলমকে মারধর ও প্রাণ নাশের হুমকীর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানাযায়, ত্রিশাল পৌরসভার উজানপাড়া এলাকায় গতকাল রবিবার দুপুরে সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলম ব্যবসায়ীক কাজে ধানীখোলা যাওয়ার পথে পথরোধ করেন কিশোর রিয়াদ। সবুজ আলম কিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে এলোপাথারী কিল-ঘুষী মারতে শুরু করে। এক পর্যায়ে সে দলবল নিয়ে লাঠিসোঠা, রড নিয়ে পিটিয়ে রাস্তায় ফেলে রাখে তাকে। এলাকাবাসী দেখতে পেয়ে তাদের দাওয়া দিলে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় তার সাথে থাকা ব্যবসায়ের এক লাখ পঁচাত্তর হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে আহত সাবেক নৌবাহিনীর সদস্যকে এলাকাবাসী হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিতসা দেয়। এ ঘটনায় সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলম বাদি হয়ে ত্রিশাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

আহত সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলম বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের দক্ষিন ভাটিপাড়া গ্রামে। কয়েকদিন আগে কিশোর রিয়াদ ঐ এলাকায় চাঁদাবাজী করে। গ্রামের অনেকেই আমার কাছে বিষয়টি বলে। আমি তার বড় ভাই সুমনকে এ বিষয়ে জানাই। এই বিচার দেওয়ার জের ধরে আমাকে মোটরসাইকেল গতিরোধ করে গালিগালাজ করে দলবল নিয়ে হামলা করে। আমাকে আহত অবস্থায় এলাকাবাসী হাসপাতালে নিয়ে যায়। আমার চোখে আঘাত লাগে ও চোখের উপরে আমার ছয়টি সেলাই লাগে। এছাড়াও শরীরে আরও অনেক আঘাত রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম, বাবলু মিয়া, আবুল হোসেন বলেন, মারধরের এ ঘটনা দেখে আমরা দৌড় দিয়ে আসি। এসে দেখি রিয়াদ দলবল নিয়ে তাকে পিটাচ্ছে। আমরা বাধা দিলেও সে মানছেনা। এক পর্যায়ে গ্রামের অনেক লোক একসসাথে হয়ে দাওয়া দিলে পালিয়ে যায়। সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলম আমাদের এলাকায় প্রান কোম্পানীর ডিলারের ব্যবসা করেন। যে রিয়াদ তাকে মেরেছে সেও আমাদের এলাকার। তার বড় ভাই সুমন সবুজের বন্ধু। তাই বন্ধুত্বের অধিকার নিয়ে তার ছোট ভাইকে সতর্ক করতেই সে বিষয়টি জানিয়েছিল। সবুজকে বিনা অপরাধে কিশোর রিয়াদ মেরেছে। সে এলাকায় দলবল নিয়ে নানা অপর্কম করে বেড়ায়। চুরি, চাঁদাবাজী তার নিয়মিত পেশা। তার বিচার হওয়া উচিত। তার কারনে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কামাল হোসেন বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে এখনো আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রিশালে চাঁদাবাজীর বিচার দেওয়ায় সাবেক নৌবাহিনী সদস্যের উপর হামলা

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

ময়মনসিংহের ত্রিশালে রিয়াদ নামের এক কিশোর চাঁদাবাজি করায় তার বড় ভায়ের কাছে বিচার দেওয়ায় সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলমকে মারধর ও প্রাণ নাশের হুমকীর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানাযায়, ত্রিশাল পৌরসভার উজানপাড়া এলাকায় গতকাল রবিবার দুপুরে সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলম ব্যবসায়ীক কাজে ধানীখোলা যাওয়ার পথে পথরোধ করেন কিশোর রিয়াদ। সবুজ আলম কিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে এলোপাথারী কিল-ঘুষী মারতে শুরু করে। এক পর্যায়ে সে দলবল নিয়ে লাঠিসোঠা, রড নিয়ে পিটিয়ে রাস্তায় ফেলে রাখে তাকে। এলাকাবাসী দেখতে পেয়ে তাদের দাওয়া দিলে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় তার সাথে থাকা ব্যবসায়ের এক লাখ পঁচাত্তর হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে আহত সাবেক নৌবাহিনীর সদস্যকে এলাকাবাসী হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিতসা দেয়। এ ঘটনায় সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলম বাদি হয়ে ত্রিশাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

আহত সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলম বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের দক্ষিন ভাটিপাড়া গ্রামে। কয়েকদিন আগে কিশোর রিয়াদ ঐ এলাকায় চাঁদাবাজী করে। গ্রামের অনেকেই আমার কাছে বিষয়টি বলে। আমি তার বড় ভাই সুমনকে এ বিষয়ে জানাই। এই বিচার দেওয়ার জের ধরে আমাকে মোটরসাইকেল গতিরোধ করে গালিগালাজ করে দলবল নিয়ে হামলা করে। আমাকে আহত অবস্থায় এলাকাবাসী হাসপাতালে নিয়ে যায়। আমার চোখে আঘাত লাগে ও চোখের উপরে আমার ছয়টি সেলাই লাগে। এছাড়াও শরীরে আরও অনেক আঘাত রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম, বাবলু মিয়া, আবুল হোসেন বলেন, মারধরের এ ঘটনা দেখে আমরা দৌড় দিয়ে আসি। এসে দেখি রিয়াদ দলবল নিয়ে তাকে পিটাচ্ছে। আমরা বাধা দিলেও সে মানছেনা। এক পর্যায়ে গ্রামের অনেক লোক একসসাথে হয়ে দাওয়া দিলে পালিয়ে যায়। সাবেক নৌবাহিনীর সদস্য সবুজ আলম আমাদের এলাকায় প্রান কোম্পানীর ডিলারের ব্যবসা করেন। যে রিয়াদ তাকে মেরেছে সেও আমাদের এলাকার। তার বড় ভাই সুমন সবুজের বন্ধু। তাই বন্ধুত্বের অধিকার নিয়ে তার ছোট ভাইকে সতর্ক করতেই সে বিষয়টি জানিয়েছিল। সবুজকে বিনা অপরাধে কিশোর রিয়াদ মেরেছে। সে এলাকায় দলবল নিয়ে নানা অপর্কম করে বেড়ায়। চুরি, চাঁদাবাজী তার নিয়মিত পেশা। তার বিচার হওয়া উচিত। তার কারনে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কামাল হোসেন বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে এখনো আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।