১১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে বাড়ছে সব নদীর পানি

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ২৪৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইসাথে বেড়েছে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি ও সোমেশ্বরী এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই, সদর উপজেলার মৃগী ও পুরাতন ব্রক্ষপুত্র নদের পানি। তবে চেল্লাখালি ছাড়া এখনও সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘন্টায় শেরপুরে ৩০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শেরপুরসহ আশপাশের এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। চলমান পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী ও শেরপুর সদর উপজেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর কাঁচা বাঁধের কয়েকটি স্থানে ভাঙনের ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় কলা চাষি ও মাছ চাষিরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ইতোমধ্যে ঝিনাইগাতী উপজেলার নিচু জমিতে ঢলের পানি প্রবেশ করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢলের পানি নেমে না গেলে আমনের বীজতলা ও সবজি ক্ষেতের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান খান বলেন, ইতোমধ্যে ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর ভাঙা স্থানে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বাড়ছে সব নদীর পানি

আপডেট সময় : ০৯:১১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ২৪৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইসাথে বেড়েছে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি ও সোমেশ্বরী এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই, সদর উপজেলার মৃগী ও পুরাতন ব্রক্ষপুত্র নদের পানি। তবে চেল্লাখালি ছাড়া এখনও সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘন্টায় শেরপুরে ৩০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শেরপুরসহ আশপাশের এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। চলমান পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী ও শেরপুর সদর উপজেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর কাঁচা বাঁধের কয়েকটি স্থানে ভাঙনের ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় কলা চাষি ও মাছ চাষিরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ইতোমধ্যে ঝিনাইগাতী উপজেলার নিচু জমিতে ঢলের পানি প্রবেশ করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢলের পানি নেমে না গেলে আমনের বীজতলা ও সবজি ক্ষেতের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান খান বলেন, ইতোমধ্যে ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর ভাঙা স্থানে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।