০৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাভারে মারধরের ঘটনায় ধামাচাপা দিতে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ

নির্বাচনী সহিংসতায়  সাভারে দুই যুবককে পিটিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীদের তুলে নিয়ে জোরপূর্বক ধারণ করা হয় ভিডিও।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এর আগে, গত ৫ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বনগাঁ ইউনিয়নের চাকুলিয়া এলাকায় তাদের মারধরের ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার যুবকরা হলেন- নারায়ণ চন্দ্র সাহা ও উত্তম চন্দ্র দাস। অপরদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- নাদিম ও তার চাচাতো ভাই সুবিন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানান, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগের পর সন্ধ্যায় এলাকার স্থানীয়দের নিয়ে খিচুড়ি ভোজের আয়োজন করেন বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা সোহেল রানা। সেখানে উপস্থিত হলে নারায়ণ ও উত্তমের ওপর অতর্কিত হামলা করেন নাদিম ও সুবিন। এ সময় তাদের চড় থাপ্পড় ও এলোপাথাড়ি মারধর করায় স্থানীয় লোকজন এর প্রতিবাদ করলে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
পরে মারধরের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সেদিন রাতেই ভুক্তভোগীদের ডেকে নিয়ে তাদের মারধর করা হয়নি মর্মে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নিয়ে ভিডিও ধারণ করেন নাদিম ও সুবিন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খবির উদ্দিন বলেন, এলাকার সম্প্রীতি নষ্ট করতেই দুই যুবককে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
তবে এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সুবিন বলেন, আমার বন্ধুদের সাথে সেদিন একটু কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। পরে বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করেছি।
এদিকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে এলাকাবাসী। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত নাদিম ও তার চাচাতো ভাই সুবিন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে মারধরের ঘটনায় ধামাচাপা দিতে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ

আপডেট সময় : ০৫:২২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪
নির্বাচনী সহিংসতায়  সাভারে দুই যুবককে পিটিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীদের তুলে নিয়ে জোরপূর্বক ধারণ করা হয় ভিডিও।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এর আগে, গত ৫ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বনগাঁ ইউনিয়নের চাকুলিয়া এলাকায় তাদের মারধরের ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার যুবকরা হলেন- নারায়ণ চন্দ্র সাহা ও উত্তম চন্দ্র দাস। অপরদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- নাদিম ও তার চাচাতো ভাই সুবিন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানান, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগের পর সন্ধ্যায় এলাকার স্থানীয়দের নিয়ে খিচুড়ি ভোজের আয়োজন করেন বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা সোহেল রানা। সেখানে উপস্থিত হলে নারায়ণ ও উত্তমের ওপর অতর্কিত হামলা করেন নাদিম ও সুবিন। এ সময় তাদের চড় থাপ্পড় ও এলোপাথাড়ি মারধর করায় স্থানীয় লোকজন এর প্রতিবাদ করলে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
পরে মারধরের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সেদিন রাতেই ভুক্তভোগীদের ডেকে নিয়ে তাদের মারধর করা হয়নি মর্মে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নিয়ে ভিডিও ধারণ করেন নাদিম ও সুবিন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খবির উদ্দিন বলেন, এলাকার সম্প্রীতি নষ্ট করতেই দুই যুবককে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
তবে এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সুবিন বলেন, আমার বন্ধুদের সাথে সেদিন একটু কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। পরে বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করেছি।
এদিকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে এলাকাবাসী। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত নাদিম ও তার চাচাতো ভাই সুবিন।