১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রশিবির সহযোদ্ধার ভূমিকায় ছিল : সারজিস

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে থাকা, পরামর্শ দেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে সহযোদ্ধার মতো ভূমিকায় থেকে সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রশিবিরের সদস্য সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

সারজিস বলেন, কেউ কোনো দিন সত্যকে চাপিয়ে রাখতে পারে না। সত্য প্রকাশে শুধু সময়ের ব্যাপার। আমাদের জায়গা থেকে সবসময় স্পষ্টভাবে কথা বলতে চাই। বিগত ১৬ বছরে খুনি শেখ হাসিনা যাকেই পটেনশিয়াল থ্রেড (ক্ষমতায় থাকতে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেছেন) মনে করেছে তাদেরই নানা উপাধি, তকমা দিয়ে ব্লেইম গেম খেলায় মেতে উঠেছিল। এই গেমে অনেক নিরপরাধ মানুষকে জীবন বলি দিতে হয়েছে। এমনকি শেখ হাসিনা আলেম-ওলামাদেরও থ্রেড মনে করে তাদের হামলা, মামলা, নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করেছে।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম এই সংগঠক আরও বলেন, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরসহ এমন অনেক ব্যক্তি ও সংগঠন ছিল যাদের খুনি শেখ হাসিনা স্বাধীন বাংলাদেশে বেঁচে থাকাটাই দুঃসাধ্য করে দিয়েছিল। আমরা আমাদের জায়গা থেকে একটা কথায় বলতে চাই, আপনারাসহ (জামায়াত-শিবির) অনেককেই খুনি শেখ হাসিনা যেভাবে প্রেজেন্টেশন করার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্ম সেটিকে বিশ্বাস করে না। বর্তমান প্রজন্মের ততটুকু বিবেকবোধ আছে বলেই ফ্যাসিস্টকে বিতাড়িত করেছে।

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রশিবির সহযোদ্ধার ভূমিকায় ছিল : সারজিস

আপডেট সময় : ০১:৫০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে থাকা, পরামর্শ দেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে সহযোদ্ধার মতো ভূমিকায় থেকে সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রশিবিরের সদস্য সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

সারজিস বলেন, কেউ কোনো দিন সত্যকে চাপিয়ে রাখতে পারে না। সত্য প্রকাশে শুধু সময়ের ব্যাপার। আমাদের জায়গা থেকে সবসময় স্পষ্টভাবে কথা বলতে চাই। বিগত ১৬ বছরে খুনি শেখ হাসিনা যাকেই পটেনশিয়াল থ্রেড (ক্ষমতায় থাকতে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেছেন) মনে করেছে তাদেরই নানা উপাধি, তকমা দিয়ে ব্লেইম গেম খেলায় মেতে উঠেছিল। এই গেমে অনেক নিরপরাধ মানুষকে জীবন বলি দিতে হয়েছে। এমনকি শেখ হাসিনা আলেম-ওলামাদেরও থ্রেড মনে করে তাদের হামলা, মামলা, নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করেছে।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম এই সংগঠক আরও বলেন, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরসহ এমন অনেক ব্যক্তি ও সংগঠন ছিল যাদের খুনি শেখ হাসিনা স্বাধীন বাংলাদেশে বেঁচে থাকাটাই দুঃসাধ্য করে দিয়েছিল। আমরা আমাদের জায়গা থেকে একটা কথায় বলতে চাই, আপনারাসহ (জামায়াত-শিবির) অনেককেই খুনি শেখ হাসিনা যেভাবে প্রেজেন্টেশন করার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্ম সেটিকে বিশ্বাস করে না। বর্তমান প্রজন্মের ততটুকু বিবেকবোধ আছে বলেই ফ্যাসিস্টকে বিতাড়িত করেছে।