০৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জরাজীর্ণ সোহরাওয়ার্দী কলেজের মেডিকেল সেন্টার

রাজধানী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের মেডিকেল সেন্টার চরম বেহাল দশা। দীর্ঘদিন নানা সমস্যা জর্জরিত এই মেডিকেল সেন্টার।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সংস্কার না হওয়ার কারণে, প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি ব্যবহার করার অনুপযোগী হয়েছে পরেছে।
উচ্চ মাধ্যমিকসহ অনার্স ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা সোহরাওয়ার্দী কলেজের মেডিকেল সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চিকিৎসা সেবা জন্য যে ধরনের  ব্যবস্থা থাকার কথা খুবেই নগ্ন। মেডিকেল সেন্টারে গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড পরীক্ষা গুলোর সময় ডাক্তার থাকার থাকলেও, প্রায় সময় ডাক্তার পাওয়া যায়না।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ তো দূরের কথা—একমাত্র প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ‘নাপা’ ছাড়া আর কোন ওষুধ পাওয়া যায় না। ওষুধ ছাড়াও চিকিৎসা জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামেরও তাঁর অভাব রয়েছে সোহরাওয়ার্দী কলেজ মেডিকেল সেন্টারে।
মেডিকেল সেন্টারের ভেতরের অবস্থা আরও ভয়াবহ। জরাজীর্ণ একটি বেড, মেয়াদ উত্তীর্ণ অক্সিজেন সিলিন্ডার, ভাঙ্গা জানালা, সব মিলিয়ে নেই কোন পরিপাটির ছোঁয়া। যেনো সুস্থ মানুষ ভেতরে ঢুকলেও অসুস্থ হয়ে যাবে।
এই বিষয় জনতে মেডিকেল অফিসার ডাঃ কানিজ ফাতেমা বলেন,“আমি গত এক বছর ধরে এই মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্বে রয়েছি। শুরু থেকেই আমি কলেজ প্রশাসনকে বারবার বলেছি এই সমস্যাগুলোর কথা কিন্তু দুঃখজনক ভাবে, আজ পর্যন্ত কলেজ প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।”
তবে আমি নিজের দিক থেকে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।আমাদের কাছে  নাপা ছাড়াও রয়েছে সেলাইন, ইবুপ্রোফেন,এবং চিকিৎসা যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে  ব্যান্ডেজ, কটন, সিজার ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার।
মেডিকেল অফিসার ডঃ কানিজ ফাতেমা বলেন,আমি সপ্তাহে তিনদিন রবিবার, মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার  সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত সেন্টারে উপস্থিত থাকি এবং এই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার।
এই বিষয় সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের
অধ্যক্ষ, ড.কাকলী মুখোপাধ্যায় বলেন, “উন্নয়ন ফান্ডে যেটুকু টাকা ছিলো, তাহা ইতোমধ্যে কলেজের অন্যান্য উন্নয়ন খাতে খরচ হয়ে গেছে, নতুন করে যখন উন্নয়ন তহবিল আসবে।তখন মেডিকেল সেন্টারের সংস্কারসহ কলেজের অন্যান্য ক্ষেত্রেও উন্নয়ন মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

জরাজীর্ণ সোহরাওয়ার্দী কলেজের মেডিকেল সেন্টার

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
রাজধানী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের মেডিকেল সেন্টার চরম বেহাল দশা। দীর্ঘদিন নানা সমস্যা জর্জরিত এই মেডিকেল সেন্টার।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সংস্কার না হওয়ার কারণে, প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি ব্যবহার করার অনুপযোগী হয়েছে পরেছে।
উচ্চ মাধ্যমিকসহ অনার্স ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা সোহরাওয়ার্দী কলেজের মেডিকেল সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চিকিৎসা সেবা জন্য যে ধরনের  ব্যবস্থা থাকার কথা খুবেই নগ্ন। মেডিকেল সেন্টারে গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড পরীক্ষা গুলোর সময় ডাক্তার থাকার থাকলেও, প্রায় সময় ডাক্তার পাওয়া যায়না।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ তো দূরের কথা—একমাত্র প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ‘নাপা’ ছাড়া আর কোন ওষুধ পাওয়া যায় না। ওষুধ ছাড়াও চিকিৎসা জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামেরও তাঁর অভাব রয়েছে সোহরাওয়ার্দী কলেজ মেডিকেল সেন্টারে।
মেডিকেল সেন্টারের ভেতরের অবস্থা আরও ভয়াবহ। জরাজীর্ণ একটি বেড, মেয়াদ উত্তীর্ণ অক্সিজেন সিলিন্ডার, ভাঙ্গা জানালা, সব মিলিয়ে নেই কোন পরিপাটির ছোঁয়া। যেনো সুস্থ মানুষ ভেতরে ঢুকলেও অসুস্থ হয়ে যাবে।
এই বিষয় জনতে মেডিকেল অফিসার ডাঃ কানিজ ফাতেমা বলেন,“আমি গত এক বছর ধরে এই মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্বে রয়েছি। শুরু থেকেই আমি কলেজ প্রশাসনকে বারবার বলেছি এই সমস্যাগুলোর কথা কিন্তু দুঃখজনক ভাবে, আজ পর্যন্ত কলেজ প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।”
তবে আমি নিজের দিক থেকে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।আমাদের কাছে  নাপা ছাড়াও রয়েছে সেলাইন, ইবুপ্রোফেন,এবং চিকিৎসা যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে  ব্যান্ডেজ, কটন, সিজার ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার।
মেডিকেল অফিসার ডঃ কানিজ ফাতেমা বলেন,আমি সপ্তাহে তিনদিন রবিবার, মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার  সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত সেন্টারে উপস্থিত থাকি এবং এই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার।
এই বিষয় সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের
অধ্যক্ষ, ড.কাকলী মুখোপাধ্যায় বলেন, “উন্নয়ন ফান্ডে যেটুকু টাকা ছিলো, তাহা ইতোমধ্যে কলেজের অন্যান্য উন্নয়ন খাতে খরচ হয়ে গেছে, নতুন করে যখন উন্নয়ন তহবিল আসবে।তখন মেডিকেল সেন্টারের সংস্কারসহ কলেজের অন্যান্য ক্ষেত্রেও উন্নয়ন মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।