লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ক্ষমতার অপব্যবহার, অনুমতি না নিয়ে স্বাক্ষর স্ক্যান করে ব্যবহারসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে জামায়েতের আমির(সদ্য অব্যহতি পাওয়া)ও হাতীবান্ধা মডেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাসেন আলীর বিরুদ্ধে।
কলেজটি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর অধ্যক্ষ পদ নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। মোট চারজন অধ্যক্ষ দাবিদার থাকার কারণে সরকার ঘোষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এ অবস্থায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু নীতিগত পরিবর্তনের সুযোগে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউএনও শামীম মিঞা চলতি বছরের ১৩ মে হাছেন আলীকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেন।
তবে নিয়োগ পাওয়ার পর নতুন শিক্ষক-কর্মচারী দেখিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে ১৩টি নিয়োগ ফাইল পাঠান হাছেন আলী। অভিযোগ উঠেছে, এসব ফাইলে ইউএনওর স্ক্যান করা স্বাক্ষর বসিয়ে অনুমোদন নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে হাতীবান্ধার উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম মিঞা বলেন, ‘আমি ওই নিয়োগ ফাইলে স্বাক্ষর করিনি। আমার অনুমতি ছাড়াই স্বাক্ষর স্ক্যান করে পাঠানো হয়েছে, এটি জালিয়াতি। তাই তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে জানতে হাসেন আলীর মুঠোফোনে কল করলে উনি বলেন এই বিষয়ে পরে কথা বলবো।
এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে। বৃহস্পতিবার সন্ধায় হাতীবান্ধা উপজেলা জামায়াত কার্যালয় আন নুর ট্রাস্টে জরুরি বৈঠক হয়। বৈঠকে হাছেন আলীকে উপজেলা আমিরের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে সেক্রেটারি রফিকুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
লালমনিরহাট জেলা জামায়াতের আমির আবু তাহের বলেন, ‘হাছেন আলীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’ তবে ঠিক কী কারণে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট করে বলেননি তিনি।
























