০৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভূমি অধিগ্রহণে অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণে ভাগ বসাতে মরিয়া দালালচক্র

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ঈশ্বরগঞ্জ থেকে আঠারবাড়ী কলেজ মোড় পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত ভূমির অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণে ভাগ বসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে দালালচক্র। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা-২ মনীষা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক দিনের নোটিশে ১৯৩ জনকে অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত শুনানিতে অংশ নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশপ্রাপ্তদের সঙ্গে সরেজমিনে কথা বলে জানা গেছে, নোটিশটি দালালচক্রের আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি করা হয়েছে। ইতোপূর্বে জেলা প্রশাসন শুনানির মাধ্যমে দালালদের নাম বাদ দিয়েছে। তবে বেপরোয়া ওই চক্র প্রকৃত মালিকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। পৌর এলাকার কাকনহাটী গ্রামের মেজবাহ উদ্দিন, আঃ আজিজ, নিজাম উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, পারভীন আক্তার, সুজন মিয়া, রমজান আলী, আবুল মুনসুর ও ফজলুল হক জানান, “আমরা প্রকৃত মালিক হওয়া সত্ত্বেও দালালচক্র আমাদের স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া স্ট্যাম্প তৈরি করে ভূমি অধিগ্রহণের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের কথায় সাড়া না দিলে চেক ও টাকা আটকে হুমকি দেয়। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।” ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, ক্ষতিপূরণের ৮ ধারায় অতিরিক্ত ব্যক্তি হিসেবে নাম লিপিবদ্ধ করেছেন—আশরাফুল আলম, কামরুল মিয়া, আমিনুল ইসলাম, আবুল কালাম, সাইফুল ইসলাম, আবুল বাশার, মোজাম্মেল হক, মোসলেম উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম। এরা কেউই স্থানীয় নয় এবং স্থানীয়রা তাদের চিনেও না। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দিন বলেন, “একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে মালিকদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দালালদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন যাতে প্রকৃত মালিকদের অধিকার সুরক্ষিত হয় এবং দালালচক্রের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ হয়।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

ভূমি অধিগ্রহণে অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণে ভাগ বসাতে মরিয়া দালালচক্র

আপডেট সময় : ০৭:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ঈশ্বরগঞ্জ থেকে আঠারবাড়ী কলেজ মোড় পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত ভূমির অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণে ভাগ বসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে দালালচক্র। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা-২ মনীষা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক দিনের নোটিশে ১৯৩ জনকে অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত শুনানিতে অংশ নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশপ্রাপ্তদের সঙ্গে সরেজমিনে কথা বলে জানা গেছে, নোটিশটি দালালচক্রের আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি করা হয়েছে। ইতোপূর্বে জেলা প্রশাসন শুনানির মাধ্যমে দালালদের নাম বাদ দিয়েছে। তবে বেপরোয়া ওই চক্র প্রকৃত মালিকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। পৌর এলাকার কাকনহাটী গ্রামের মেজবাহ উদ্দিন, আঃ আজিজ, নিজাম উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, পারভীন আক্তার, সুজন মিয়া, রমজান আলী, আবুল মুনসুর ও ফজলুল হক জানান, “আমরা প্রকৃত মালিক হওয়া সত্ত্বেও দালালচক্র আমাদের স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া স্ট্যাম্প তৈরি করে ভূমি অধিগ্রহণের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের কথায় সাড়া না দিলে চেক ও টাকা আটকে হুমকি দেয়। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।” ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, ক্ষতিপূরণের ৮ ধারায় অতিরিক্ত ব্যক্তি হিসেবে নাম লিপিবদ্ধ করেছেন—আশরাফুল আলম, কামরুল মিয়া, আমিনুল ইসলাম, আবুল কালাম, সাইফুল ইসলাম, আবুল বাশার, মোজাম্মেল হক, মোসলেম উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম। এরা কেউই স্থানীয় নয় এবং স্থানীয়রা তাদের চিনেও না। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দিন বলেন, “একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে মালিকদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দালালদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন যাতে প্রকৃত মালিকদের অধিকার সুরক্ষিত হয় এবং দালালচক্রের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ হয়।

এমআর/সবা