০৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে জমি নিবন্ধনে আকাশচুম্বী উৎস কর কমানোর দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজারে জমি নিবন্ধনে আকাশচুম্বী উৎস কর কমানোর দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা
সেভ দ্য কক্সবাজারের ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল বলেন, কক্সবাজারের জমি ক্রয়বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নতুন করারোপের প্রভাবে জমি কেনাবেচায় স্থবির হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের উপর আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। আরোপিত কর প্রত্যাহার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং আইনি লড়াই করা হবে। এটি কক্সবাজার ২৯ লক্ষ মানুষের প্রাণের দাবি।
সেভ দ্য কক্সবাজারের সভাপতি তৌহিদ বেলালের সভাপতিত্বে ২০ আগস্ট, বুধবার, সকাল সাড়ে ১০টায়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল, সাংবাদিক নেতা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সমাজকর্মী এনজিও ফোরাম নেতা জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক মকবুল আহমেদ, সামাজিক সংগঠন আমরা কক্সবাজারবাসীর সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন, সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, এনামুল হক চৌধুরী, বাহাদুর, আবদু রহিম বাবু প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সমাজকর্মী কামরুল হাসান।
সভায় বক্তারা বলেন, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে কক্সবাজার জেলার ৮১টি মৌজায় জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে নতুন উৎস কর আরোপ করা হয়েছে। নতুন হারে কৃষি/নাল জমি: প্রতি শতকে ২৫,০০০ টাকা – আবাসিক জমি: প্রতি শতকে ৫০,০০০ টাকা – বাণিজ্যিক জমি: প্রতি শতকে ১, ০০,০০০ টাকা এই হার স্থানীয় বাজারদামের তুলনায় বহুগুণ বেশি, বিশেষত গ্রামীণ ও চরাঞ্চলে। অতিরিক্ত উৎস করের কারণে সাধারণ মানুষের ওপর অযৌক্তিক আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ: কুতুবদিয়ায় এক একর (১০০ শতক) জমির বাজারমূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা হলেও দলিল নিবন্ধনের সময় উৎস কর গুনতে হচ্ছে প্রায় ২৫ লাখ টাকা। এ ধরনের বৈষম্যের ফলে বৈধভাবে জমি নিবন্ধন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। দলিল নিবন্ধন কার্যত বন্ধ উৎস করের উচ্চহার জমির ক্রেতা-বিক্রেতাদের বৈধ নিবন্ধন প্রক্রিয়া থেকে নিরুৎসাহিত করছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বায়নামা, পাওয়ার অব অ্যাটনি, হেবা বা দান ঘোষণার মতো বিকল্প পথে যাচ্ছেন। এতে সরকার প্রত্যাশিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
মানববন্ধনে রাজনৈতিক,সাংবাদিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের উপস্থিত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

কক্সবাজারে জমি নিবন্ধনে আকাশচুম্বী উৎস কর কমানোর দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০১:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
কক্সবাজারে জমি নিবন্ধনে আকাশচুম্বী উৎস কর কমানোর দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা
সেভ দ্য কক্সবাজারের ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল বলেন, কক্সবাজারের জমি ক্রয়বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নতুন করারোপের প্রভাবে জমি কেনাবেচায় স্থবির হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের উপর আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। আরোপিত কর প্রত্যাহার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং আইনি লড়াই করা হবে। এটি কক্সবাজার ২৯ লক্ষ মানুষের প্রাণের দাবি।
সেভ দ্য কক্সবাজারের সভাপতি তৌহিদ বেলালের সভাপতিত্বে ২০ আগস্ট, বুধবার, সকাল সাড়ে ১০টায়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল, সাংবাদিক নেতা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সমাজকর্মী এনজিও ফোরাম নেতা জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক মকবুল আহমেদ, সামাজিক সংগঠন আমরা কক্সবাজারবাসীর সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন, সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, এনামুল হক চৌধুরী, বাহাদুর, আবদু রহিম বাবু প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সমাজকর্মী কামরুল হাসান।
সভায় বক্তারা বলেন, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে কক্সবাজার জেলার ৮১টি মৌজায় জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে নতুন উৎস কর আরোপ করা হয়েছে। নতুন হারে কৃষি/নাল জমি: প্রতি শতকে ২৫,০০০ টাকা – আবাসিক জমি: প্রতি শতকে ৫০,০০০ টাকা – বাণিজ্যিক জমি: প্রতি শতকে ১, ০০,০০০ টাকা এই হার স্থানীয় বাজারদামের তুলনায় বহুগুণ বেশি, বিশেষত গ্রামীণ ও চরাঞ্চলে। অতিরিক্ত উৎস করের কারণে সাধারণ মানুষের ওপর অযৌক্তিক আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ: কুতুবদিয়ায় এক একর (১০০ শতক) জমির বাজারমূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা হলেও দলিল নিবন্ধনের সময় উৎস কর গুনতে হচ্ছে প্রায় ২৫ লাখ টাকা। এ ধরনের বৈষম্যের ফলে বৈধভাবে জমি নিবন্ধন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। দলিল নিবন্ধন কার্যত বন্ধ উৎস করের উচ্চহার জমির ক্রেতা-বিক্রেতাদের বৈধ নিবন্ধন প্রক্রিয়া থেকে নিরুৎসাহিত করছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বায়নামা, পাওয়ার অব অ্যাটনি, হেবা বা দান ঘোষণার মতো বিকল্প পথে যাচ্ছেন। এতে সরকার প্রত্যাশিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
মানববন্ধনে রাজনৈতিক,সাংবাদিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের উপস্থিত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।