০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
দুই বছর ধরে একাডেমিক ভবনের নির্মান কাজ বন্ধ

দীঘিনালায় বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন সংকটে পাঠদান ব্যহত

oplus_2

শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড আর এই শিক্ষার জন্য চাই সুন্দর পরিবেশ ও সুন্দর শ্রেণি কক্ষ, সুন্দর পরিবেশ থাকলেও খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় কবাখালী ইউনিয়ন ২০১২ সাথে স্থানীয়দের সহযোগিতা ও খাগড়াছড়ি রিজিয়ন এবং দীঘিনালা সেনা-জোনের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত হয় হাজাছড়া জোড়াব্রীজ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ২০২৩ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নতি হওয়া বিদ্যালয়টি কিন্তু শ্রেণি কক্ষ সংকটের কারনে পাঠদানে ব্যহত হচ্ছে। গাদাগাদি করে দুইটি ক্লাস একই শ্রেনি কক্ষে পাঠদান করাচ্ছেন শিক্ষকরা। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড হইতে ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন করার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভবন নির্মানের কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উপগুপ্ত চাকমা নামের একজন। কিন্তু উপগুপ্ত চাকমা থেকে কাজ নিয়ে নির্মান কাজ শুরু করেন রূপেশ চাকমা ড্রিনকন নামে আরেক এক ঠিকাদার। শুধু বেইজ আর শট কলামের কাজ করে প্রায় দুই বছর যাবৎ কাজ বন্ধ রয়েছ এমন অভিযোগ করছেন স্কুলে শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়ন্তী চাকমা বলেন আমাদের নিম্ন মাধ্যমিক থেকে সবেমাত্র মাধ্যমিক হয়েছে। আমাদের ক্লাস করতে অসুবিধা হয়। তিন বছর যাবৎ একটি নতুন হবে হবে করেও হচ্ছে না আমাদের মনে নতুন ভবনে লেখাপড়া সুযোগ পাবনা। অনুরোধ থাকবে আমাদের নতুন ভবনে কাজ তাড়াতাড়ি শুরু করা জন্য। হাজাছড়া জোড়াব্রীজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উৎপল চাকমা বলেন, আমাদের রুমে সংকট থাকার কারনে নতুন ভবন না হওয়ার কারনে লেখাপড়া প্রচুর সমস্যা হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড হইতে তার জানামতে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৩৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে কাজ শুরু করেন। স্থানীয় ঠিকাদার তিন ভাগের এক ভাগ কাজ করে আর কাজ করতেছেনা। আমি চাই কাজটি দ্রুত শেষ করার জন্য কর্তৃপক্ষে দৃষ্টি আর্কশন করছি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা জ্ঞান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড থেকে আমরা একটা ভবন পেয়েছি কিন্তু প্রায় তিন বছর হলো এর আলোর মুখ আমার এখনো দেখি নাই। কখন আবার কাজ শুরু হবে ঠিকাদার আমাদেরকে জানাছে না। ঠিকাদার সময় চেয়ে কাল ক্ষ্যাপন করছে।ঠিকাদার রুপেশ চাকমা ড্রিনকন জানান, একটি ঠিকাদারের কাজের মেয়াদ থাকে ৩ বছর, প্রথম ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ এর পর ১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পায় কিন্তু বর্ষকাল ও রাজনৈতিক পদ-পরিবর্তনের প্রাকৃতিক দূর্যোগ কারনে কাজ ধরতে পারিনি ও ফান্ড নিতে পারিনি। যদি বৃষ্টি না হয় সেপ্টেম্বরে প্রথম সপ্তাহে কাজ আরম্ভ করে দ্রুত শেষ করে দিব আর কি।

এসএস/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

দুই বছর ধরে একাডেমিক ভবনের নির্মান কাজ বন্ধ

দীঘিনালায় বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন সংকটে পাঠদান ব্যহত

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড আর এই শিক্ষার জন্য চাই সুন্দর পরিবেশ ও সুন্দর শ্রেণি কক্ষ, সুন্দর পরিবেশ থাকলেও খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় কবাখালী ইউনিয়ন ২০১২ সাথে স্থানীয়দের সহযোগিতা ও খাগড়াছড়ি রিজিয়ন এবং দীঘিনালা সেনা-জোনের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত হয় হাজাছড়া জোড়াব্রীজ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ২০২৩ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নতি হওয়া বিদ্যালয়টি কিন্তু শ্রেণি কক্ষ সংকটের কারনে পাঠদানে ব্যহত হচ্ছে। গাদাগাদি করে দুইটি ক্লাস একই শ্রেনি কক্ষে পাঠদান করাচ্ছেন শিক্ষকরা। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড হইতে ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন করার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভবন নির্মানের কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উপগুপ্ত চাকমা নামের একজন। কিন্তু উপগুপ্ত চাকমা থেকে কাজ নিয়ে নির্মান কাজ শুরু করেন রূপেশ চাকমা ড্রিনকন নামে আরেক এক ঠিকাদার। শুধু বেইজ আর শট কলামের কাজ করে প্রায় দুই বছর যাবৎ কাজ বন্ধ রয়েছ এমন অভিযোগ করছেন স্কুলে শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়ন্তী চাকমা বলেন আমাদের নিম্ন মাধ্যমিক থেকে সবেমাত্র মাধ্যমিক হয়েছে। আমাদের ক্লাস করতে অসুবিধা হয়। তিন বছর যাবৎ একটি নতুন হবে হবে করেও হচ্ছে না আমাদের মনে নতুন ভবনে লেখাপড়া সুযোগ পাবনা। অনুরোধ থাকবে আমাদের নতুন ভবনে কাজ তাড়াতাড়ি শুরু করা জন্য। হাজাছড়া জোড়াব্রীজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উৎপল চাকমা বলেন, আমাদের রুমে সংকট থাকার কারনে নতুন ভবন না হওয়ার কারনে লেখাপড়া প্রচুর সমস্যা হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড হইতে তার জানামতে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৩৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে কাজ শুরু করেন। স্থানীয় ঠিকাদার তিন ভাগের এক ভাগ কাজ করে আর কাজ করতেছেনা। আমি চাই কাজটি দ্রুত শেষ করার জন্য কর্তৃপক্ষে দৃষ্টি আর্কশন করছি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা জ্ঞান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড থেকে আমরা একটা ভবন পেয়েছি কিন্তু প্রায় তিন বছর হলো এর আলোর মুখ আমার এখনো দেখি নাই। কখন আবার কাজ শুরু হবে ঠিকাদার আমাদেরকে জানাছে না। ঠিকাদার সময় চেয়ে কাল ক্ষ্যাপন করছে।ঠিকাদার রুপেশ চাকমা ড্রিনকন জানান, একটি ঠিকাদারের কাজের মেয়াদ থাকে ৩ বছর, প্রথম ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ এর পর ১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পায় কিন্তু বর্ষকাল ও রাজনৈতিক পদ-পরিবর্তনের প্রাকৃতিক দূর্যোগ কারনে কাজ ধরতে পারিনি ও ফান্ড নিতে পারিনি। যদি বৃষ্টি না হয় সেপ্টেম্বরে প্রথম সপ্তাহে কাজ আরম্ভ করে দ্রুত শেষ করে দিব আর কি।

এসএস/সবা