রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ কক্সবাজার এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য গঠিত টাস্কফোর্সের সংবাদ সম্মেলন ২৪ আগস্ট, রবিবার সকাল ১১টায় কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কমিটির সদস্য সচিব, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপ পরিচালক সোমেন মন্ডল বলেন, সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আসা মাদকদ্রব্য কক্সবাজার এবং তৎসংলগ্ন অঞ্চলকে মাদক চোরাচালানের অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্ট সংরক্ষণ স্থান হিসেবে ব্যবহার করে সমগ্র দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় অভিযান সত্বেও মাদক কারবারীরা প্রতিনিয়ত কৌশল পরিবর্তন করছে এবং অভিনব উপায়ে মাদক চোরাচালান অব্যাহত রেখেছে। সড়ক পথের পাশাপাশি, রেলপথ এবং সমুদ্র ও নদী পথ ব্যবহার করে মাদক চোরাচালান হচ্ছে।
কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকা দিয়ে মাদক পাচারের যে নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে তা বিপর্যস্ত ও সমূলে ধ্বংস করার লক্ষ্যে টাস্কফোর্স কাজ শুরু করেছে।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে মাদকবিরোধী নজরদারী বাড়িয়ে সাড়াশি অভিযানে গত ১৫ জুলাই ২০২৫ তারিখ থেকে অদ্যাবধি, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে, মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে ২১,৭৯,৪৮৩ পিস ইয়াবা, ১৪৯২.৫ লিটার বাংলা মদ, ৩৮ কেজি ৩২১ গ্রাম গাঁজা, ৭৩৫ ক্যান বিয়ার এবং ২ কেজি ৫৮৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করা হয়েছে। এই সময়ে ৩৪৭ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে মামলা প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য গত ১৪ জুলাই ২০২৫ তারিখ কক্সবাজার বিয়াম আঞ্চলিক কেন্দ্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অবঃ) মহোদয়ের সভাপতিত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায়, জিওসি ১০ পদাতিক ডিভিশন এর নেতৃত্বে বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্থানীয় জনপ্রশাসনের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তৎপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর প্রজ্ঞাপনের আলোকে গত ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখে ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ কক্সবাজার এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য টাস্কফোর্স’ গঠন করা হয়।




















