মনিরামপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও অগ্রণী মহিলা উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ ইমরান চৌধুরীর সঞ্চালনায় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক অফিসার মুনা আফরিণ। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার মৌসুমী আক্তার, সাংবাদিক অধ্যাপক বাবুল আকতার অগ্রণী মহিলা উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্প কর্মকর্তা উত্তম কুমার মাহত, উপজেলা সমন্বয়কারী জাহিদ হোসেনসহ আরো অনেকে।
সংলাপে বক্তারা বলেন, “সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না করলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষা হয় না। আইনের প্রয়োগ না হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায় না”। বক্তারা আরও বলেন, “ঘর থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবন্ধী কোটা তুলে দেওয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হয়ে গেছে”। কাউকেই পেছনে ফেলে রাখা যাবে না-এই নীতি নিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বিশেষ করে প্রতিবন্ধী নারীদের সুরক্ষায় বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনাকে কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে”। প্রতিবন্ধী নারীরা শারীরিক প্রতিবন্ধিতার পাশাপাশি সমাজের পক্ষপাতিত্ব, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক নিয়মের কারণে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন। সর্বোপরি, প্রতিবন্ধী নারীর অধিকার, সুরক্ষা ও বৈষম্য দূরীকরণে সরকারি, বেসরকারি সংস্থা এবং সমাজের সকল স্তরের সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে।শোরের মনিরামপুরে প্রতিবন্ধী নারীদের অধিকার সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও তাদের প্রতি সামাজিক বৈষম্য দূর করতে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার স্থানীয় উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অগ্রণী মহিলা উন্নয়ন সংস্থা সংলাপের আয়োজন করে।
সংলাপে প্রতিবন্ধী নারীদের সুরক্ষায় আইনি কাঠামো, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সংলাপে প্রতিবন্ধী নারীদের প্রতি সমাজের বিদ্যমান নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন, আইনি সংস্কার এবং প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা প্রতিবন্ধী নারীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বিশেষ করে, শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা বোঝা ব্যক্তিদের যুক্ত করা এবং বিচারকক্ষে বিচারপ্রার্থীদের প্রবেশ করার মতো অবকাঠামোগত ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়।
মনিরামপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও অগ্রণী মহিলা উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ ইমরান চৌধুরীর সঞ্চালনায় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক অফিসার মুনা আফরিণ। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার মৌসুমী আক্তার, সাংবাদিক অধ্যাপক বাবুল আকতার অগ্রণী মহিলা উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্প কর্মকর্তা উত্তম কুমার মাহত, উপজেলা সমন্বয়কারী জাহিদ হোসেনসহ আরো অনেকে।
সংলাপে বক্তারা বলেন, “সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না করলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষা হয় না। আইনের প্রয়োগ না হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায় না”। বক্তারা আরও বলেন, “ঘর থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবন্ধী কোটা তুলে দেওয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হয়ে গেছে”। কাউকেই পেছনে ফেলে রাখা যাবে না-এই নীতি নিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বিশেষ করে প্রতিবন্ধী নারীদের সুরক্ষায় বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনাকে কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে”। প্রতিবন্ধী নারীরা শারীরিক প্রতিবন্ধিতার পাশাপাশি সমাজের পক্ষপাতিত্ব, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক নিয়মের কারণে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন। সর্বোপরি, প্রতিবন্ধী নারীর অধিকার, সুরক্ষা ও বৈষম্য দূরীকরণে সরকারি, বেসরকারি সংস্থা এবং সমাজের সকল স্তরের সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে।
এসএস/সবা




















