০৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিলারের ঘরে চাল বিতরণ, কার্ডধারীদের দুর্ভোগ

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল উন্মুক্ত বাজারের পরিবর্তে নতুন ডিলারের বাড়ি থেকে বিতরণ করা হচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন কার্ডধারীরা।

গতকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) গোড়ল ইউনিয়নের বলাইরহাট পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, ডিলার জাকির হোসেনের টিনসেড ঘরে ত্রিপলের ওপর সরকারি চালের বস্তা রাখা হয়েছে। ইঁদুরে কাটা বস্তা থেকে চাল ছড়িয়ে পড়লেও সেখান থেকেই ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি হচ্ছিল। অথচ নিয়ম অনুযায়ী চাল বিতরণ করতে হয় বাজারের উন্মুক্ত স্থানে।

ভুক্তভোগীরা জানান, আগে বাজার থেকে চাল নিতে পারলেও এখন কাঁচা রাস্তায় ডিলারের বাড়ি থেকে কষ্ট করে আনতে হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বিষয়টিকে অনিয়ম বলে দাবি করেছেন।

ডিলার জাকির হোসেন জানান, উপজেলা বাছাই কমিটি তার ঘরকেই গুদাম হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। তবে প্রয়োজনে বাজারের গুদামে সরিয়ে নেবেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এনামুল হক বলেন, বাড়ি থেকে চাল সংরক্ষণ বা বিতরণের নিয়ম নেই। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানাও একই মন্তব্য করেছেন।

এমআর/সবা

ডিলারের ঘরে চাল বিতরণ, কার্ডধারীদের দুর্ভোগ

আপডেট সময় : ১২:০৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল উন্মুক্ত বাজারের পরিবর্তে নতুন ডিলারের বাড়ি থেকে বিতরণ করা হচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন কার্ডধারীরা।

গতকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) গোড়ল ইউনিয়নের বলাইরহাট পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, ডিলার জাকির হোসেনের টিনসেড ঘরে ত্রিপলের ওপর সরকারি চালের বস্তা রাখা হয়েছে। ইঁদুরে কাটা বস্তা থেকে চাল ছড়িয়ে পড়লেও সেখান থেকেই ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি হচ্ছিল। অথচ নিয়ম অনুযায়ী চাল বিতরণ করতে হয় বাজারের উন্মুক্ত স্থানে।

ভুক্তভোগীরা জানান, আগে বাজার থেকে চাল নিতে পারলেও এখন কাঁচা রাস্তায় ডিলারের বাড়ি থেকে কষ্ট করে আনতে হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বিষয়টিকে অনিয়ম বলে দাবি করেছেন।

ডিলার জাকির হোসেন জানান, উপজেলা বাছাই কমিটি তার ঘরকেই গুদাম হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। তবে প্রয়োজনে বাজারের গুদামে সরিয়ে নেবেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এনামুল হক বলেন, বাড়ি থেকে চাল সংরক্ষণ বা বিতরণের নিয়ম নেই। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানাও একই মন্তব্য করেছেন।

এমআর/সবা