০৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ির কাঞ্চননগরে রাস্তা সংস্কার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

 ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগরে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও মুসল্লিরা।
রাস্তা সংস্কারের দাবিতে মঙ্গলবার (২৬ আগষ্ট) দুপুরে কাঞ্চননগর রুস্তমীয়া মনিরুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। তারা অভিযোগ করে জানায়, মাদ্রাসা থেকে তেমুহনি বাজার পর্যন্ত প্রধান সড়কটি বর্তমানে সম্পূর্ণ চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। অথচ এই রাস্তাটিই এলাকার স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রতি বর্ষায় পানি জমে রাস্তার দ্রুত ক্ষতি হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি নিষ্কাশন না হয়ে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায় কয়েক মাসের মধ্যেই রাস্তা আবারও ভেঙে যায়। ফলে প্রতিবার সংস্কারের অর্থও নষ্ট হচ্ছে। তারা জানান, শুধু সংস্কার নয়, স্থায়ী সমাধানের জন্য রাস্তার পাশে ড্রেন নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, কেরামতিয়া মহিলা মাদ্রাসা ও মসজিদের পাশের রাস্তা এবং রাবার বাগানের প্রযেক্ট সংলগ্ন রাস্তার অবস্থাও একই রকম নাজুক। প্রতিদিন যাতায়াতের সময় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে তারা এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন থেকে বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে।
তাদের এই দাবি এখন কাঞ্চননগরের প্রতিটি মানুষের প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)’র জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কাঞ্চননগরের শিক্ষার্থীদের দাবিকে যুক্তিসঙ্গত উল্লেখ করে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। কাঞ্চননগরের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার অবস্থা বর্তমানে খুবই খারাপ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ভারি বর্ষণে এ সমস্যাটি আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। তাই দ্রুত রাস্তা সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলীকে এলজিডি থেকে বরাদ্দের মাধ্যমে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য জানানো হবে।
এদিকে উপজেলা প্রকৌশলী তন্ময় নাথ জানান, ইতিমধ্যেই জরুরি (ইমার্জেন্সি) মেরামত কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে টানা বৃষ্টির কারণে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি শেষে আবহাওয়া অনুকূলে এলে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

ফটিকছড়ির কাঞ্চননগরে রাস্তা সংস্কার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০১:৪৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
 ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগরে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও মুসল্লিরা।
রাস্তা সংস্কারের দাবিতে মঙ্গলবার (২৬ আগষ্ট) দুপুরে কাঞ্চননগর রুস্তমীয়া মনিরুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। তারা অভিযোগ করে জানায়, মাদ্রাসা থেকে তেমুহনি বাজার পর্যন্ত প্রধান সড়কটি বর্তমানে সম্পূর্ণ চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। অথচ এই রাস্তাটিই এলাকার স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রতি বর্ষায় পানি জমে রাস্তার দ্রুত ক্ষতি হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি নিষ্কাশন না হয়ে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায় কয়েক মাসের মধ্যেই রাস্তা আবারও ভেঙে যায়। ফলে প্রতিবার সংস্কারের অর্থও নষ্ট হচ্ছে। তারা জানান, শুধু সংস্কার নয়, স্থায়ী সমাধানের জন্য রাস্তার পাশে ড্রেন নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, কেরামতিয়া মহিলা মাদ্রাসা ও মসজিদের পাশের রাস্তা এবং রাবার বাগানের প্রযেক্ট সংলগ্ন রাস্তার অবস্থাও একই রকম নাজুক। প্রতিদিন যাতায়াতের সময় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে তারা এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন থেকে বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে।
তাদের এই দাবি এখন কাঞ্চননগরের প্রতিটি মানুষের প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)’র জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কাঞ্চননগরের শিক্ষার্থীদের দাবিকে যুক্তিসঙ্গত উল্লেখ করে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। কাঞ্চননগরের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার অবস্থা বর্তমানে খুবই খারাপ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ভারি বর্ষণে এ সমস্যাটি আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। তাই দ্রুত রাস্তা সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলীকে এলজিডি থেকে বরাদ্দের মাধ্যমে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য জানানো হবে।
এদিকে উপজেলা প্রকৌশলী তন্ময় নাথ জানান, ইতিমধ্যেই জরুরি (ইমার্জেন্সি) মেরামত কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে টানা বৃষ্টির কারণে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি শেষে আবহাওয়া অনুকূলে এলে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।