কক্সবাজারের চকরিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি )শফিকুল ইসলাম সহ ০৮জনকে আসামি করে চকরিয়া থানায় এজহার দায়ের করেছে কমল চৌধুরী। সে ২১শে আগষ্ট চকরিয়া থানা হেফাজতে নিহত দূর্জয় চৌধুরীর বাবা।২৬শে আগষ্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দূর্জয় চৌধুরীর বাবা কমল চৌধুরী বাদী হয়ে এজহারটি দায়ের করেন।এজহারে চকরিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম. এএসআই হানিফ মিয়া. দুইজন কনস্টেবল. চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খানম.সহকারী শিক্ষক ও অফিস সহকারী সহ ০৮জনকে আাসামি করা হয়।এজহার দায়ের করার সময় কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অন্তত ১০জন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন ।
এজহারে কমল চৌধুরী দাবি করেন. তার ছেলে দূর্জয় চৌধুরী চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে ছিলেন।
দূ্র্জয়ের কাছে প্রধান শিক্ষিকার নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির ডকুমেন্টস ছিল।
দীর্ঘদিন ধরে দূর্জয়কে নানা ভাবে হয়রানি করা হয়েছে।সর্বশেষ দূর্জয়কে চিরতরে শেষ করে দিতে প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খানম সহ আরো কয়েকজন মিলে পরিকল্পিত ভাবে অর্থ আত্নসাতের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে থানায় আটকে রেখে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে।আর সেটকে আত্নহত্যা বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন আমার ছেলেকে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ওসি শফিকুল ইসলাম থানা হাজতে আটকে রাখেন।ঘটনার সময়ের থানার সিসি ক্যামেরা ভিডিও এবং বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন।
উল্লেখ্য গত ২১শে আগষ্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খানম একই স্কুলের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর দূর্জয় চৌধুরীর বিরুদ্ধে নগদ ও চেক জালিয়াতি করে প্রায় তিন লাখ টাকা আত্নসাৎ করেছেন মর্মে চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন।ওই অভিযোগের ভিত্তিতে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম তাকে রাত ১০টায় থানায় হাজতে আটকে রাখেন। ওইদিন ভোররাত ৪টায় গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রূপায়ন দেব।
এঘটনার পরপরই চকরিয়া থানার এএসআই হানিফ মিয়া সহ দুইজন কনস্টেবল ও পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করেন কক্সবাজার পুলিশ সুপার।অন্যদিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খানমে ওএসডি করা হয়েছে।




















