১০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবি এলাকায় ফের শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, উপ-উপাচার্যসহ বহুজন আহত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এলাকায় ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল ১১টা ২০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি ও মারধরের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে রাতের ঘটনার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত ছিল। খবর ছড়িয়ে পড়তেই তারা পুনরায় এলাকায় এগিয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া পরিস্থিতিতে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), উপ-উপাচার্য (একাডেমিক), প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টররা হামলার শিকার হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলির রাউন্ড শেষ হয়ে গেলে সংঘর্ষ আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন, এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তবে রাষ্ট্রীয় কোনো নিরাপত্তা বাহিনী এখনো ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়নি।
এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে দেখা যায়। উভয় পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলার কারণে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

চবি এলাকায় ফের শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, উপ-উপাচার্যসহ বহুজন আহত

আপডেট সময় : ০২:২২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এলাকায় ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল ১১টা ২০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি ও মারধরের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে রাতের ঘটনার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত ছিল। খবর ছড়িয়ে পড়তেই তারা পুনরায় এলাকায় এগিয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া পরিস্থিতিতে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), উপ-উপাচার্য (একাডেমিক), প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টররা হামলার শিকার হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলির রাউন্ড শেষ হয়ে গেলে সংঘর্ষ আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন, এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তবে রাষ্ট্রীয় কোনো নিরাপত্তা বাহিনী এখনো ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়নি।
এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে দেখা যায়। উভয় পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলার কারণে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।