০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া পরীক্ষার্থী সনাক্ত 

কক্সবাজার জেলায় কনস্টেবল নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে ১ জন ভূয়া পরীক্ষার্থী গ্রেফতার হয়েছে। চার সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার  শহরতলির উত্তরন মডেল স্কুল এন্ড কলেজে জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।  ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) জুন-২০২৫ পদে নিয়োগের লক্ষ্যে পরীক্ষাটির আয়োজন করা হয়।
সকালে লিখিত পরীক্ষা শুরু হবার পূর্বে প্রার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের সময় কাগজপত্র ফেস ডিটেকশন ক্যামেরায় যাচাই করা হয়। এসময় এক প্রার্থীর ছবি এবং তথ্যের গরমিল ধরা পড়ে। ‍ভূয়া পরীক্ষার্থী মুহিদ আল কাদের (২০) উখিয়া উপজেলার গৌজঘোনার শাহ ইউনুের পুত্র বলে জানা যায়।  তার কাছ থেকে  নগদ দশ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছ।
জেলা পুলিশ সূত্র দাবি করেছে, ফেস ডিটেকশন ক্যামেরায় মুখাবয়ব না মিলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সে স্বীকার করেছে যে, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মূল পরীক্ষার্থীর ছদ্মবেশে সে পরীক্ষায় অংশ নিতে এসেছিল।  এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্টদের তত্ত্বাবধানে  এ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার  মোঃ সাইফউদ্দীন শাহীন পরীক্ষা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও পরিচালনা করেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

কক্সবাজারে পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া পরীক্ষার্থী সনাক্ত 

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কক্সবাজার জেলায় কনস্টেবল নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে ১ জন ভূয়া পরীক্ষার্থী গ্রেফতার হয়েছে। চার সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার  শহরতলির উত্তরন মডেল স্কুল এন্ড কলেজে জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।  ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) জুন-২০২৫ পদে নিয়োগের লক্ষ্যে পরীক্ষাটির আয়োজন করা হয়।
সকালে লিখিত পরীক্ষা শুরু হবার পূর্বে প্রার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের সময় কাগজপত্র ফেস ডিটেকশন ক্যামেরায় যাচাই করা হয়। এসময় এক প্রার্থীর ছবি এবং তথ্যের গরমিল ধরা পড়ে। ‍ভূয়া পরীক্ষার্থী মুহিদ আল কাদের (২০) উখিয়া উপজেলার গৌজঘোনার শাহ ইউনুের পুত্র বলে জানা যায়।  তার কাছ থেকে  নগদ দশ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছ।
জেলা পুলিশ সূত্র দাবি করেছে, ফেস ডিটেকশন ক্যামেরায় মুখাবয়ব না মিলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সে স্বীকার করেছে যে, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মূল পরীক্ষার্থীর ছদ্মবেশে সে পরীক্ষায় অংশ নিতে এসেছিল।  এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্টদের তত্ত্বাবধানে  এ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার  মোঃ সাইফউদ্দীন শাহীন পরীক্ষা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও পরিচালনা করেন।