০৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোবিপ্রবিতে যোগদানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে ও বিকেলে উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অডিটোরিয়ামে সভা শুরু হয়। সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল স্লাইড প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে এক বছরের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান সৃষ্টির অন্যতম উপায় হলো পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু এবং আমরা সেটা শুরু করতে পেরেছি। এ বছর নোবিপ্রবিতে ২৬ জন পিএইচডি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছেন। যেসব বিভাগে মাস্টার্স প্রোগ্রাম বন্ধ ছিলো সেগুলোতে মাস্টার্স চালু করা হয়েছে। নোবিপ্রবির রিসার্চ বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং আগামীতে এ বাজেট আরও বৃদ্ধি পাবে। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ফেলোশিপসহ বিভিন্ন ফেলোশিপের সংখ্যা আগামী বছর আরও বৃদ্ধি পাবে।
এ সময় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা যে যে কাজই করুন না কেনো, তার যথাযথ ডকুমেন্টেশনের প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে। সম্প্রতি ইউজিসির হিট প্রজেক্টের আওতায় নোবিপ্রবি প্রায় ২০ কোটি টাকা গবেষণা অনুদান পেয়ে ১০ম স্থান অর্জন করেছে। আমি আশা করি এই প্রজেক্টের আওতায় যে ল্যাবগুলো তৈরী হবে সেগুলো যেনো আইএসও সার্টিফাইড হয়। জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এর আওতায় আমরা তিনটি প্রজেক্ট পেয়েছি। এসব প্রজেক্টের ফান্ড দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় পরিযায়ী পাখির অভয়ারণ্য এবং গ্রিন ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে কাজ করবো। শহিদ মুগ্ধ মেডিকেল সেন্টারে ইতিমধ্যে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করা হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং এলাকাবাসী রোগ নির্ণয় ও নিরাময়ের জন্য স্বল্পমূল্যে ডায়াগনস্টিক সেবা চালু করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মকর্তাদের লাউঞ্জ চালুর অপেক্ষায় রয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ক্যাফেটেরিয়া নির্মাণের কাজ চলছে। কেন্দ্রীয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন করা হয়েছে। একনেকে পাশ হলে একাডেমিক ভবন-৩ এর নির্মাণকাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু করা যাবে। ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল প্রতিষ্ঠার কাজও অগ্রসরমান।
রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরীর সঞ্চালনায় ‘উপাচার্য মহোদয়ের এক বছর পূর্তি: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এ সভায় বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ।
বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক বলেন, এক বছর পূর্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইলকে অভিনন্দন। এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, নোবিপ্রবি একজন ডায়নামিক, পরিশ্রমী এবং দক্ষ উপাচার্য দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তার মেয়াদকালে নোবিপ্রবি বাংলাদেশের শীর্ষ একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে এ প্রত্যাশা করি। নিয়োগ প্রক্রিয়াসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান উপাচার্যের যে আপসহীন অবস্থান, আমি তাকে সাধুবাদ জানাই। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বর্তমান প্রশাসনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যে সহযোগিতা করছেন তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এ প্রত্যাশা করছি ।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নোবিপ্রবি রিসার্চ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান, সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রোকনুজ্জামান সিদ্দিকী, প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ ও নোবিপ্রবি প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান  শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আবু সাঈদ ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী হুমায়রা জান্নাত।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তর ও শাখা প্রধানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। পরে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উপাচার্যকে শুভেচ্ছা স্মারক ও উপহার প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে, এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বিকেলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি, প্রেস ক্লাব ও ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের মূল্যবান পরামর্শকে সাধুবাদ জানান। সাংবাদিকরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় সবসময় পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

নোবিপ্রবিতে যোগদানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা

আপডেট সময় : ০৯:২৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে ও বিকেলে উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অডিটোরিয়ামে সভা শুরু হয়। সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল স্লাইড প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে এক বছরের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান সৃষ্টির অন্যতম উপায় হলো পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু এবং আমরা সেটা শুরু করতে পেরেছি। এ বছর নোবিপ্রবিতে ২৬ জন পিএইচডি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছেন। যেসব বিভাগে মাস্টার্স প্রোগ্রাম বন্ধ ছিলো সেগুলোতে মাস্টার্স চালু করা হয়েছে। নোবিপ্রবির রিসার্চ বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং আগামীতে এ বাজেট আরও বৃদ্ধি পাবে। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ফেলোশিপসহ বিভিন্ন ফেলোশিপের সংখ্যা আগামী বছর আরও বৃদ্ধি পাবে।
এ সময় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা যে যে কাজই করুন না কেনো, তার যথাযথ ডকুমেন্টেশনের প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে। সম্প্রতি ইউজিসির হিট প্রজেক্টের আওতায় নোবিপ্রবি প্রায় ২০ কোটি টাকা গবেষণা অনুদান পেয়ে ১০ম স্থান অর্জন করেছে। আমি আশা করি এই প্রজেক্টের আওতায় যে ল্যাবগুলো তৈরী হবে সেগুলো যেনো আইএসও সার্টিফাইড হয়। জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এর আওতায় আমরা তিনটি প্রজেক্ট পেয়েছি। এসব প্রজেক্টের ফান্ড দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় পরিযায়ী পাখির অভয়ারণ্য এবং গ্রিন ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে কাজ করবো। শহিদ মুগ্ধ মেডিকেল সেন্টারে ইতিমধ্যে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করা হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং এলাকাবাসী রোগ নির্ণয় ও নিরাময়ের জন্য স্বল্পমূল্যে ডায়াগনস্টিক সেবা চালু করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মকর্তাদের লাউঞ্জ চালুর অপেক্ষায় রয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ক্যাফেটেরিয়া নির্মাণের কাজ চলছে। কেন্দ্রীয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন করা হয়েছে। একনেকে পাশ হলে একাডেমিক ভবন-৩ এর নির্মাণকাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু করা যাবে। ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল প্রতিষ্ঠার কাজও অগ্রসরমান।
রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরীর সঞ্চালনায় ‘উপাচার্য মহোদয়ের এক বছর পূর্তি: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এ সভায় বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ।
বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক বলেন, এক বছর পূর্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইলকে অভিনন্দন। এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, নোবিপ্রবি একজন ডায়নামিক, পরিশ্রমী এবং দক্ষ উপাচার্য দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তার মেয়াদকালে নোবিপ্রবি বাংলাদেশের শীর্ষ একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে এ প্রত্যাশা করি। নিয়োগ প্রক্রিয়াসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান উপাচার্যের যে আপসহীন অবস্থান, আমি তাকে সাধুবাদ জানাই। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বর্তমান প্রশাসনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যে সহযোগিতা করছেন তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এ প্রত্যাশা করছি ।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নোবিপ্রবি রিসার্চ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান, সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রোকনুজ্জামান সিদ্দিকী, প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ ও নোবিপ্রবি প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান  শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আবু সাঈদ ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী হুমায়রা জান্নাত।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তর ও শাখা প্রধানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। পরে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উপাচার্যকে শুভেচ্ছা স্মারক ও উপহার প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে, এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বিকেলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি, প্রেস ক্লাব ও ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের মূল্যবান পরামর্শকে সাধুবাদ জানান। সাংবাদিকরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় সবসময় পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।