০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় কিশোরীকে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ

গইবান্ধায় ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে(১৩) বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। গত ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্তরা হলেন, দক্ষিণ ধুমাইটারি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সজিব (২০), একই গ্রামের আনারুলের ছেলে সোহেল রানা (১৮) ও নাহিদ ইসলাম (১৯)। জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার শেষ করে নিজ বাড়িতে একাই আলাদা রুমে শুয়ে পড়ে ওই কিশোরী। রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সজিব মিয়া ওই কিশোরীর শয়নকক্ষের জানালার কাছে আসে এবং ডাকতে থাকে। এসময় ওই কিশোরী দরজা খুলে বাইরে বের হয়। এরপর ওই কিশোরীকে নানা প্রলোভন ও ব্লাকমেইল করে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামের চিটু বাবুর (মাস্টার) বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায় সজিব। একপর্যায়ে মেয়েটি চিৎকার করে। তখন ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সজিব। পরে সজিবের দুই বন্ধু নাহিদ ও সোহেল পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর দুইজন পালিয়ে যান এবং মেয়েটিকে সজিব তার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অবশেষে গত শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন। এলাকাবাসী বলেন, প্রতিবেশি ফুফা সজিবের সঙ্গে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর প্রায় সময়ে মোবাইলে কথা বলতেন। সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে অভিযোগ করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

গাইবান্ধায় কিশোরীকে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৭:২২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গইবান্ধায় ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে(১৩) বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। গত ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্তরা হলেন, দক্ষিণ ধুমাইটারি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সজিব (২০), একই গ্রামের আনারুলের ছেলে সোহেল রানা (১৮) ও নাহিদ ইসলাম (১৯)। জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার শেষ করে নিজ বাড়িতে একাই আলাদা রুমে শুয়ে পড়ে ওই কিশোরী। রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সজিব মিয়া ওই কিশোরীর শয়নকক্ষের জানালার কাছে আসে এবং ডাকতে থাকে। এসময় ওই কিশোরী দরজা খুলে বাইরে বের হয়। এরপর ওই কিশোরীকে নানা প্রলোভন ও ব্লাকমেইল করে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামের চিটু বাবুর (মাস্টার) বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায় সজিব। একপর্যায়ে মেয়েটি চিৎকার করে। তখন ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সজিব। পরে সজিবের দুই বন্ধু নাহিদ ও সোহেল পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর দুইজন পালিয়ে যান এবং মেয়েটিকে সজিব তার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অবশেষে গত শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন। এলাকাবাসী বলেন, প্রতিবেশি ফুফা সজিবের সঙ্গে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর প্রায় সময়ে মোবাইলে কথা বলতেন। সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে অভিযোগ করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।