০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেনী পল্লী বিদ্যুতের ৫৬৯ কর্মী ছুটিতে: গ্রাহক ভোগান্তি চরমে

চার দফা দাবিতে ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৫৬৯ কর্মকর্তা-কর্মচারী অনির্দিষ্টকালের জন্য গণছুটিতে গেছেন। এতে জেলার ছয় উপজেলায় জরুরি সেবা, লাইন মেরামত, মিটার সংযোগ ও বিলিং কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে লাখো গ্রাহক চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সমিতি সূত্রে জানা যায়, মোট ৫৭৯ জন কর্মীর মধ্যে ৫৬৯ জন ছুটিতে চলে যান। এর মধ্যে ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, দাগনভূঞা, পরশুরাম, ফুলগাজী ও সোনাগাজী উপজেলায় সেবা কার্যক্রম সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় সোমবার ফুলগাজীতে বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা সড়ক অবরোধ করলে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সাধারণ গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, নতুন মিটার সংযোগ, জরুরি লাইন মেরামত এমনকি ফোনে যোগাযোগের সুযোগও বন্ধ রয়েছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও খামার কার্যক্রমে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এক আন্দোলনকারী কর্মচারী বলেন, “এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দাবি আদায়ের চেষ্টা চলছে। প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবায়ন হয়নি। দাবি পূরণ না হলে কাজে ফেরা হবে না। তবে জনভোগান্তি আমাদের উদ্দেশ্য নয়।”

ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ নুরুল হোসাইন জানান, গণছুটিতে যাওয়া কর্মীদের ফেরাতে চেষ্টা চলছে। জনবল সংকটের কারণে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ মেরামতে দেরি হচ্ছে।

এমআর/সবা

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ফেনী পল্লী বিদ্যুতের ৫৬৯ কর্মী ছুটিতে: গ্রাহক ভোগান্তি চরমে

আপডেট সময় : ০৪:২৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চার দফা দাবিতে ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৫৬৯ কর্মকর্তা-কর্মচারী অনির্দিষ্টকালের জন্য গণছুটিতে গেছেন। এতে জেলার ছয় উপজেলায় জরুরি সেবা, লাইন মেরামত, মিটার সংযোগ ও বিলিং কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে লাখো গ্রাহক চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সমিতি সূত্রে জানা যায়, মোট ৫৭৯ জন কর্মীর মধ্যে ৫৬৯ জন ছুটিতে চলে যান। এর মধ্যে ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, দাগনভূঞা, পরশুরাম, ফুলগাজী ও সোনাগাজী উপজেলায় সেবা কার্যক্রম সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় সোমবার ফুলগাজীতে বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা সড়ক অবরোধ করলে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সাধারণ গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, নতুন মিটার সংযোগ, জরুরি লাইন মেরামত এমনকি ফোনে যোগাযোগের সুযোগও বন্ধ রয়েছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও খামার কার্যক্রমে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এক আন্দোলনকারী কর্মচারী বলেন, “এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দাবি আদায়ের চেষ্টা চলছে। প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবায়ন হয়নি। দাবি পূরণ না হলে কাজে ফেরা হবে না। তবে জনভোগান্তি আমাদের উদ্দেশ্য নয়।”

ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ নুরুল হোসাইন জানান, গণছুটিতে যাওয়া কর্মীদের ফেরাতে চেষ্টা চলছে। জনবল সংকটের কারণে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ মেরামতে দেরি হচ্ছে।

এমআর/সবা