০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজস্থলীতে পুলিশের উদ্যোগে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবাবিষয়ক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে রাজস্থলী থানা চত্বরে এ আয়োজন হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজস্থলী থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন রাজস্থলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল আমিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল আমিন বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতন সমাজ ও উন্নয়নের বড় হুমকি। পুলিশ জনগণের সেবক হিসেবেও কাজ করছে। ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা নির্ভয়ে ন্যায়বিচার পাবেন।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান-কারবারি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা বলেন, পাহাড়ি এলাকায় নারী ও শিশুর নিরাপত্তায় সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

এসময় জানানো হয়, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নির্যাতিত নারী ও শিশুদের জন্য চিকিৎসা, আইনি পরামর্শ, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসনসহ নানা সেবা দেওয়া হয়।

ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো—কোনো ভুক্তভোগী যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়। সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণ সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

এমআর/সবা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে বাংলাদেশি যুবক আহত

রাজস্থলীতে পুলিশের উদ্যোগে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবাবিষয়ক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে রাজস্থলী থানা চত্বরে এ আয়োজন হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজস্থলী থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন রাজস্থলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল আমিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল আমিন বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতন সমাজ ও উন্নয়নের বড় হুমকি। পুলিশ জনগণের সেবক হিসেবেও কাজ করছে। ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা নির্ভয়ে ন্যায়বিচার পাবেন।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান-কারবারি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা বলেন, পাহাড়ি এলাকায় নারী ও শিশুর নিরাপত্তায় সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

এসময় জানানো হয়, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নির্যাতিত নারী ও শিশুদের জন্য চিকিৎসা, আইনি পরামর্শ, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসনসহ নানা সেবা দেওয়া হয়।

ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো—কোনো ভুক্তভোগী যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়। সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণ সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

এমআর/সবা