০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহেশখালীর পাহাড়ে যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় র‍্যাব ও যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানটি পুলিশ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলার পর বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত পরিচালিত হয়।

বুধবার মধ্যরাতে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প সংলগ্ন কোহেলিয়া সেতুর কাছে টহল পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এতে তিন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হন এবং তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক (সিইও) কামরুল হাসান জানান, পুলিশ ওপর হামলার ঘটনায় কালারমারছড়া ইউনিয়নের মিজ্জিরপাড়া, আঁধারঘোনা, গোদারপাড়া ও ফকিরজোম পাড়ার পাহাড়ি এলাকায় ‘চিরুনি অভিযান’ শুরু করা হয়। অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করে পাহাড়ি টিলা ও ঝিরিতে তল্লাশি চালানো হয়। পৃথক তিনটি সন্ত্রাসী আস্তানায় হানা দিয়ে অস্ত্র তৈরির কারখানা ধ্বংস করা হয় এবং ১০টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

কামরুল হাসান বলেন, “পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র‍্যাব সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে। সন্ত্রাসীদের আর কোনো আস্তানা থাকতে দেওয়া হবে না। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের কারণে তাদের শক্তি দুর্বল হবে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এসব পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীরা অস্ত্র তৈরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। যৌথবাহিনীর অভিযানের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

মহেশখালীর পাহাড়ে যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় র‍্যাব ও যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানটি পুলিশ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলার পর বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত পরিচালিত হয়।

বুধবার মধ্যরাতে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প সংলগ্ন কোহেলিয়া সেতুর কাছে টহল পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এতে তিন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হন এবং তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক (সিইও) কামরুল হাসান জানান, পুলিশ ওপর হামলার ঘটনায় কালারমারছড়া ইউনিয়নের মিজ্জিরপাড়া, আঁধারঘোনা, গোদারপাড়া ও ফকিরজোম পাড়ার পাহাড়ি এলাকায় ‘চিরুনি অভিযান’ শুরু করা হয়। অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করে পাহাড়ি টিলা ও ঝিরিতে তল্লাশি চালানো হয়। পৃথক তিনটি সন্ত্রাসী আস্তানায় হানা দিয়ে অস্ত্র তৈরির কারখানা ধ্বংস করা হয় এবং ১০টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

কামরুল হাসান বলেন, “পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র‍্যাব সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে। সন্ত্রাসীদের আর কোনো আস্তানা থাকতে দেওয়া হবে না। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের কারণে তাদের শক্তি দুর্বল হবে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এসব পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীরা অস্ত্র তৈরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। যৌথবাহিনীর অভিযানের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এমআর/সবা