মহেশখালীর কালারমারছড়ার গহীন পাহাড়ে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে যৌথ বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে কালারমারছড়ার গহীন পাহাড়ে অস্ত্রের আস্তানার সন্ধানে র্যাব পুলিশের প্রায় আড়াইশো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা এই অভিযান চালান।
এসময় ড্রোনের সাহায্যে অস্ত্রের আস্তানা সনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়। আস্তানা সনাক্ত হলে সেখানে অভিযান চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি মহেশখালী থেকে পাচারকালে দেশীয় অস্ত্রসহ একাধিক পাচারকারী ও অস্ত্র কারিগরকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সে সব অস্ত্র পাচারকারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আজ কালারমারছড়ার গহীন পাহাড়ে এই অভিযান চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের ফকিরজুম পাড়া ও আঁধার ঘোনা পাহাড়ি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির একাধিক ভ্রাম্যমাণ কারখানা আছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, চারদিকে সাগরবেষ্টিত হওয়ায় একপ্রান্তে অভিযান শুরু হলে স-ন্ত্রাসী ও অ-স্ত্র কারিগররা অন্যপ্রান্তে পালিয়ে যায়। ফলে পুরো পাহাড়জুড়ে চিরুনি অভিযান চালালেই এই অ-বৈধ অ-স্ত্র কারখানাগুলো সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব হবে।
অভিযানে শতাধিক র্যাব সদস্য ছাড়াও পুলিশ অংশ নেয়। র্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ক্যাম্পের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযান চলাকালে বি-স্ফোরণের মতো শব্দও শোনা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
সচেতন মহলের দাবী মহেশখালী পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান সময়োপযোগী পদক্ষেপ। পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানা এবং অবৈধ অস্ত্র কারখানা গড়ে ওঠার কারণে জনজীবনের নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারেই হুমকির মুখে পড়েছে।মহেশখালীর পাহাড় ও আশেপাশের এলাকায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের চেষ্টা তখনই সফল হবে যখন সকলই মিলেমিশে প্রশাসনকে সহয়তা করেন। একটি শান্ত মহেশখালী ফিরে পেতে সকল শ্রেণির মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
মহেশখালী পাহাড়ে র্যাবের অভিযান নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অস্ত্রের আস্তানা ও অবৈধ কারখানা গড়ে ওঠার অভিযোগ রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হচ্ছিল।






















