০৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
কক্সবাজার স্টেডিয়ামে তাণ্ডব

জেলা ক্রীড়া অফিসার ও পুলিশের পৃথক মামলা, ৭০০ আসামি

কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে গত বুধবার খেলাপূর্বক তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় জেলা ক্রীড়া অফিসার আলাউদ্দিন আজ মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় প্রায় ৭০০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। প্রধান আসামি করা হয়েছে টিকেট ইজারাদার ইব্রাহিম বাবু ও ফুটবলার শেফায়াত মুন্নাকে।
অপরদিকে, কক্সবাজার সদর থানা পুলিশও একই ঘটনার প্রেক্ষিতে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ মামলায় প্রায় ৫০০–৭০০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকেই অজ্ঞাতপরিচয়।
দুইটি মামলার উদ্দেশ্য হলো স্টেডিয়ামে সংঘটিত লুটপাট, ভাঙচুর ও উশৃঙ্খল আচরণের জন্য দায়ীদের আইনের আওতায় আনা।

গত ১২ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার বিকাল ৩ টায় কক্সবাজারের রামু ও টেকনাফ উপজেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ফাইনাল ম্যাচটি। তবে খেলা শুরুর দেড় ঘণ্টা আগেই ৩পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
দর্শকদের অভিযোগ, তারা আগেই টিকিট কিনেছেন ৫০ টাকা মূল্যে নির্ধারিত হলেও অধিকাংশকে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়েছে টিকিটের জন্য। অথচ অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করেও তারা মাঠে প্রবেশ করতে পারছিলেন না।
একপর্যায়ে উত্তেজিত দর্শকরা মাঠের প্রবেশ গেইট ভেঙে মূল মাঠে ঢুকে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে ভিড়ে স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মাঠের ভেতরে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার স্টেডিয়ামে তাণ্ডব

জেলা ক্রীড়া অফিসার ও পুলিশের পৃথক মামলা, ৭০০ আসামি

আপডেট সময় : ০৬:২১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে গত বুধবার খেলাপূর্বক তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় জেলা ক্রীড়া অফিসার আলাউদ্দিন আজ মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় প্রায় ৭০০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। প্রধান আসামি করা হয়েছে টিকেট ইজারাদার ইব্রাহিম বাবু ও ফুটবলার শেফায়াত মুন্নাকে।
অপরদিকে, কক্সবাজার সদর থানা পুলিশও একই ঘটনার প্রেক্ষিতে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ মামলায় প্রায় ৫০০–৭০০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকেই অজ্ঞাতপরিচয়।
দুইটি মামলার উদ্দেশ্য হলো স্টেডিয়ামে সংঘটিত লুটপাট, ভাঙচুর ও উশৃঙ্খল আচরণের জন্য দায়ীদের আইনের আওতায় আনা।

গত ১২ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার বিকাল ৩ টায় কক্সবাজারের রামু ও টেকনাফ উপজেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ফাইনাল ম্যাচটি। তবে খেলা শুরুর দেড় ঘণ্টা আগেই ৩পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
দর্শকদের অভিযোগ, তারা আগেই টিকিট কিনেছেন ৫০ টাকা মূল্যে নির্ধারিত হলেও অধিকাংশকে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়েছে টিকিটের জন্য। অথচ অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করেও তারা মাঠে প্রবেশ করতে পারছিলেন না।
একপর্যায়ে উত্তেজিত দর্শকরা মাঠের প্রবেশ গেইট ভেঙে মূল মাঠে ঢুকে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে ভিড়ে স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মাঠের ভেতরে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

এমআর/সবা