০১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহেশখালীর কালারমারছড়ায় হবে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মহেশখালীর উপজেলার ক্রাইমজোনখ্যাত ইউনিয়ন কালারমারছড়ার ২৮.৮৬ বর্গ কিলোমিটারের ৯
ওয়ার্ডে বর্তমানে লোক সংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজারের অধিক। স্বাক্ষরতার হার মাত্র ১৮.৬ পার্সেন্ট
হারের এই ইউনিয়নে সংখ্যানুপাতে মানুষ বেশী হওয়ায় ও মহেশখালী থানা থেকে ইউনিয়নটি
বেশ দূরবর্তী হওয়ার ফলে জমি বিরোধ, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং আধিপত্য বিস্তার নিয়ে
মারামারী হানাহানি এমনকী হত্যাকাণ্ড নিত্যনৈমন্ত্রিক ব্যাপার। তৎকালীন কক্সবাজার পুলিশ
সুপার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন কালারমারছড়ায় অপরাধমুলক কমর্কান্ড নিয়ন্ত্রণে একটি অস্থায়ী
পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করলেও তা স্থায়ী না হওয়ায় ক্রমাগত চলতে থাকে আইনশৃংখলার অবনতি।
সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য কমাতে উপজেলা প্রশাসনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
শুক্রবার স্থায়ী পুলিশ ফাড়ির অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা মোঃ হেদায়েত উল্যাহ্ধসঢ়; জানান, দ্রুত স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ির কাজ শুরু হবে। তিনি
জানান, থানা থেকে কালারমারছড়া দূরবর্তী হওয়ায় ঘটনাস্থলে দ্রুত প্রশাসন পৌঁছাতে না
পারায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দ্রুত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। স্থায়ী
পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে তিনি মনে করেন।
এতে করে স্থায়ী ফাঁড়ির মাধ্যমে দ্রুত পুলিশী হস্তক্ষেপ নিশ্চিত হবে এবং জনগণের নিরাপত্তা
নিশ্চিত করতে এই ফাঁড়ি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পুলিশ ফাঁড়ি অনুমোদনের খবরে স্থানীয় ব্যবসায়ী, মৎস্যজীবী, কৃষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ
জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বহু বছর ধরে কালারমারছড়ায় পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি
জানিয়ে আসছিল স্থানীয়রা। অবশেষে তা বাস্তবায়নের পথে। মহেশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ,
মনজুরুল হক জানান কালারমারছড়া ইউনিয়নকে শান্ত রাখতে একটি পুলিশ পার্টির
প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য ছিল। যা ইতিপূর্বে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবহিত করেছিলাম।
অবশেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে অনুমোদনে আমাদের স্বস্তি লাগছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহেশখালীর কালারমারছড়ায় হবে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় : ০১:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মহেশখালীর উপজেলার ক্রাইমজোনখ্যাত ইউনিয়ন কালারমারছড়ার ২৮.৮৬ বর্গ কিলোমিটারের ৯
ওয়ার্ডে বর্তমানে লোক সংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজারের অধিক। স্বাক্ষরতার হার মাত্র ১৮.৬ পার্সেন্ট
হারের এই ইউনিয়নে সংখ্যানুপাতে মানুষ বেশী হওয়ায় ও মহেশখালী থানা থেকে ইউনিয়নটি
বেশ দূরবর্তী হওয়ার ফলে জমি বিরোধ, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং আধিপত্য বিস্তার নিয়ে
মারামারী হানাহানি এমনকী হত্যাকাণ্ড নিত্যনৈমন্ত্রিক ব্যাপার। তৎকালীন কক্সবাজার পুলিশ
সুপার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন কালারমারছড়ায় অপরাধমুলক কমর্কান্ড নিয়ন্ত্রণে একটি অস্থায়ী
পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করলেও তা স্থায়ী না হওয়ায় ক্রমাগত চলতে থাকে আইনশৃংখলার অবনতি।
সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য কমাতে উপজেলা প্রশাসনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
শুক্রবার স্থায়ী পুলিশ ফাড়ির অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা মোঃ হেদায়েত উল্যাহ্ধসঢ়; জানান, দ্রুত স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ির কাজ শুরু হবে। তিনি
জানান, থানা থেকে কালারমারছড়া দূরবর্তী হওয়ায় ঘটনাস্থলে দ্রুত প্রশাসন পৌঁছাতে না
পারায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দ্রুত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। স্থায়ী
পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে তিনি মনে করেন।
এতে করে স্থায়ী ফাঁড়ির মাধ্যমে দ্রুত পুলিশী হস্তক্ষেপ নিশ্চিত হবে এবং জনগণের নিরাপত্তা
নিশ্চিত করতে এই ফাঁড়ি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পুলিশ ফাঁড়ি অনুমোদনের খবরে স্থানীয় ব্যবসায়ী, মৎস্যজীবী, কৃষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ
জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বহু বছর ধরে কালারমারছড়ায় পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি
জানিয়ে আসছিল স্থানীয়রা। অবশেষে তা বাস্তবায়নের পথে। মহেশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ,
মনজুরুল হক জানান কালারমারছড়া ইউনিয়নকে শান্ত রাখতে একটি পুলিশ পার্টির
প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য ছিল। যা ইতিপূর্বে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবহিত করেছিলাম।
অবশেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে অনুমোদনে আমাদের স্বস্তি লাগছে।