রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটায় ভর্তিকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি চলছে। শিক্ষার্থীরা এটিকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে বাতিলের দাবি জানালেও শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা হিসেবে এর বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগে ৪-৫% কোটায় ভর্তি হলেও ২০২৫ সালের শুরুতে সিদ্ধান্ত হয় কেবল সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারীদের জন্য ১% কোটা বহাল থাকবে, আর শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য থাকবে না। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অবরোধ-অনশনসহ আন্দোলন হয়। পরবর্তীতে শিক্ষকদের আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয় অচলাবস্থায় পড়ে।
সমঝোতার পথ খুঁজতে প্রশাসন কমিটি গঠন করে। মতবিনিময় ও তথ্য যাচাইয়ের পর ১৮ সেপ্টেম্বর ভর্তি কমিটি শর্তসাপেক্ষে পুনরায় প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা অনুমোদন করে। তবে এ সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের একাংশ বিক্ষোভ ও অনশন শুরু করে। ২০ সেপ্টেম্বর রাতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে উপাচার্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোটার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন।
পরে সিন্ডিকেট জরুরি সভায় ঘটনাপ্রবাহের তদন্তে অভ্যন্তরীণ ও বিচার বিভাগীয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। শিক্ষকদের শাটডাউন কর্মসূচি ও কর্মচারীদের অবস্থান ধর্মঘটের পর ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মসূচি স্থগিত হয়। প্রশাসন আশা করছে, আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরবে।
এমআর/সবা

























