০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কমলগঞ্জে কাঁচা রাস্তায় চরম দুর্ভোগ : অসুস্থ রোগীকে নিতে হয় কোলে করে

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার গ্রামীণ কাঁচা রাস্তাগুলোর বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় তিন লাখ মানুষ। খানাখন্দ আর কাদা পানিতে পরিণত হওয়া এসব রাস্তায় প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ সবাইকে কষ্ট সইতে হচ্ছে। এমনকি অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে হয় কোলে করে।

উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নের উত্তর বালিগাঁও-বাগমারা সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে আছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি জলাশয়ে পরিণত হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার চেয়ারম্যান-মেম্বারদের জানালেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

গ্রামের বাসিন্দা রাজন ও এক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বর্ষায় কাদামাটি মাড়িয়ে চলাচল করা কষ্টকর। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তায় পানি জমে থাকে, শুকালে কাদা হয়ে যায়। ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়ে।”

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনা বেগম জানান, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানানো হয়েছে, শিগগির উন্নয়নকাজ শুরু হবে বলে আশা করছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল বলেন, সংস্কারের প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন।

এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রকিব জানান, সড়কটি তালিকাভুক্ত আছে, ধাপে ধাপে সংস্কার হবে। পর্যায়ক্রমে পাকা করারও উদ্যোগ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

কমলগঞ্জে কাঁচা রাস্তায় চরম দুর্ভোগ : অসুস্থ রোগীকে নিতে হয় কোলে করে

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার গ্রামীণ কাঁচা রাস্তাগুলোর বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় তিন লাখ মানুষ। খানাখন্দ আর কাদা পানিতে পরিণত হওয়া এসব রাস্তায় প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ সবাইকে কষ্ট সইতে হচ্ছে। এমনকি অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে হয় কোলে করে।

উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নের উত্তর বালিগাঁও-বাগমারা সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে আছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি জলাশয়ে পরিণত হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার চেয়ারম্যান-মেম্বারদের জানালেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

গ্রামের বাসিন্দা রাজন ও এক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বর্ষায় কাদামাটি মাড়িয়ে চলাচল করা কষ্টকর। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তায় পানি জমে থাকে, শুকালে কাদা হয়ে যায়। ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়ে।”

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনা বেগম জানান, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানানো হয়েছে, শিগগির উন্নয়নকাজ শুরু হবে বলে আশা করছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল বলেন, সংস্কারের প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন।

এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রকিব জানান, সড়কটি তালিকাভুক্ত আছে, ধাপে ধাপে সংস্কার হবে। পর্যায়ক্রমে পাকা করারও উদ্যোগ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এমআর/সবা