১২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্রিডম ফ্লোটিলার সব নৌযান একসঙ্গে গাজার পথে: শহিদুল আলম

গাজার উদ্দেশে যাত্রা করা ‘কনশানস’ নৌযানটি বহরের অন্য আটটি নৌযানকে ছুঁয়ে ফেলেছে এবং বর্তমানে সব নৌযান একসঙ্গে গাজা অভিমুখে এগোচ্ছে। দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বর্তমানে কনশানস নৌযানটিতে অবস্থান করছেন।

কনশানস আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) ও থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি)-এর বহরের একটি জাহাজ। এটি ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র যৌথ আয়োজক জোটগুলোর অংশ হলেও, তাদের বহরে কোনো খাদ্যসহায়তা নেই।

 

শহিদুল আলম লিখেছেন, “থাউজেন্ড ম্যাডলিনস একটি অবিস্মরণীয় ধারণা। জাতিগত নিধন ঠেকাতে বিশ্বনেতাদের নিষ্ক্রিয়তার কারণে বিশ্বের জনগণ নিজেরাই পদক্ষেপ নিয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে একত্রিত হওয়া সমুদ্রযানের সবচেয়ে বড় বহর।”

তিনি জানান, কনশানস হলো বহরের সবচেয়ে বড় নৌযান, যা সবার শেষে (৩০ সেপ্টেম্বর) ইতালি থেকে রওনা দিয়েছিল। গতি বেশি থাকায় এটি আগে রওনা করা আটটি নৌযানকে ছুঁয়ে ফেলে, পরে গতি কমিয়ে সব নৌযান একসঙ্গে গাজার পথে এগিয়ে যায়। ফ্রিডম কোয়ালিশনের আরও দুটি নৌযানের অবস্থান এখনও নিশ্চিত নয়।

গাজার অবরোধ ভাঙার অঙ্গীকার জানিয়ে শহিদুল আলম বলেন, “আমরা কনশানসের মানুষ অবরোধ ভাঙতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যদি আমাদের আটকায়, অন্যরা এগিয়ে আসবে। জনগণের শক্তির বিরুদ্ধে দমন–পীড়নকারী কখনো টিকতে পারেনি। মুক্ত হবে ফিলিস্তিন।”

ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ‘কনশানস’ জাহাজটিতে ২৫টি দেশের সাংবাদিক ও স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। এফএফসির সর্বশেষ মিশনটি গত বুধবার যাত্রা শুরু করে—ইসরায়েলের অবৈধ অবরোধ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে এটি গাজার পথে রওনা হয়।

গত দুই বছর ধরে ইসরায়েল বিদেশি সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ২৭০ জনের বেশি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন এবং অনেককে আটক করে কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

ফ্রিডম ফ্লোটিলার সব নৌযান একসঙ্গে গাজার পথে: শহিদুল আলম

আপডেট সময় : ০৪:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

গাজার উদ্দেশে যাত্রা করা ‘কনশানস’ নৌযানটি বহরের অন্য আটটি নৌযানকে ছুঁয়ে ফেলেছে এবং বর্তমানে সব নৌযান একসঙ্গে গাজা অভিমুখে এগোচ্ছে। দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বর্তমানে কনশানস নৌযানটিতে অবস্থান করছেন।

কনশানস আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) ও থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি)-এর বহরের একটি জাহাজ। এটি ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র যৌথ আয়োজক জোটগুলোর অংশ হলেও, তাদের বহরে কোনো খাদ্যসহায়তা নেই।

 

শহিদুল আলম লিখেছেন, “থাউজেন্ড ম্যাডলিনস একটি অবিস্মরণীয় ধারণা। জাতিগত নিধন ঠেকাতে বিশ্বনেতাদের নিষ্ক্রিয়তার কারণে বিশ্বের জনগণ নিজেরাই পদক্ষেপ নিয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে একত্রিত হওয়া সমুদ্রযানের সবচেয়ে বড় বহর।”

তিনি জানান, কনশানস হলো বহরের সবচেয়ে বড় নৌযান, যা সবার শেষে (৩০ সেপ্টেম্বর) ইতালি থেকে রওনা দিয়েছিল। গতি বেশি থাকায় এটি আগে রওনা করা আটটি নৌযানকে ছুঁয়ে ফেলে, পরে গতি কমিয়ে সব নৌযান একসঙ্গে গাজার পথে এগিয়ে যায়। ফ্রিডম কোয়ালিশনের আরও দুটি নৌযানের অবস্থান এখনও নিশ্চিত নয়।

গাজার অবরোধ ভাঙার অঙ্গীকার জানিয়ে শহিদুল আলম বলেন, “আমরা কনশানসের মানুষ অবরোধ ভাঙতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যদি আমাদের আটকায়, অন্যরা এগিয়ে আসবে। জনগণের শক্তির বিরুদ্ধে দমন–পীড়নকারী কখনো টিকতে পারেনি। মুক্ত হবে ফিলিস্তিন।”

ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ‘কনশানস’ জাহাজটিতে ২৫টি দেশের সাংবাদিক ও স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। এফএফসির সর্বশেষ মিশনটি গত বুধবার যাত্রা শুরু করে—ইসরায়েলের অবৈধ অবরোধ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে এটি গাজার পথে রওনা হয়।

গত দুই বছর ধরে ইসরায়েল বিদেশি সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ২৭০ জনের বেশি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন এবং অনেককে আটক করে কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে।

এমআর/সবা