১১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে প্রয়াত সাংবাদিক মিলনের স্মরণসভা

প্রেসক্লাব জামালপুরের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক ও অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক এর কার্যকরী সদস্য, দৈনিক মানবজমিন ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি প্রয়াত সাংবাদিক আনোয়ারুল ইসলাম মিলনের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাতে বাদ এশা শহরের শহীদ হারুন সড়ক প্রেসক্লাব জামালপুরের কার্যালয়ে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

জামালপুর অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক এর সভাপতি ও মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডাক্তার মোহাম্মদ আজিজুল হক।

সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, মিলন ভাইয়ের সাথে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। মিলন ভাই প্রথমত সাংবাদিকতার পেশাই ছিল না। আমার সাথে যখন ওনার প্রথম পরিচয় হয়, তখন তিনি ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তখন আমি ময়মনসিংহ হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে রোগী দেখি। মিলন ভাই বলতেন আমার আরেকটা পরিচয় আছে। আমি রাজনীতিও করি, চাকরিও করি। আমার সাথে ওনার ভালো একটা সম্পর্ক ছিল। আজ মিলন ভাই আমাদের মাঝে নেই। আমি ওনার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। সেই সাথে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

প্রেসক্লাব জামালপুরের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় মরহুমের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাব জামালপুরের কার্যকরী সদস্য প্রথম আলো জেলা প্রতিনিধি আব্দুল আজিজ, দ্য ডেইলি ফ্রন্ট নিউজ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেরুল্লাহ, জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলে এলাহী মাকাম, প্রেসক্লাব জামালপুরের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইমুম সাব্বির শোভন, কোষাধ্যক্ষ সাগর ফরাজি, কার্যকরী সদস্য আরিফ আকন্দ, সাংবাদিক তানভীর আহাম্মেদ হীরা প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন শহীদ হারুন সড়ক বাইতুল মামুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মো. রফিকুল ইসলাম।

স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রেসক্লাব জামালপুর ও অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক এর সকল সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ, গত ১৭ নভেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে গেইটপাড় এলাকায় তাহার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান।

এমআর/সবা

জামালপুরে প্রয়াত সাংবাদিক মিলনের স্মরণসভা

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

প্রেসক্লাব জামালপুরের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক ও অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক এর কার্যকরী সদস্য, দৈনিক মানবজমিন ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি প্রয়াত সাংবাদিক আনোয়ারুল ইসলাম মিলনের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাতে বাদ এশা শহরের শহীদ হারুন সড়ক প্রেসক্লাব জামালপুরের কার্যালয়ে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

জামালপুর অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক এর সভাপতি ও মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডাক্তার মোহাম্মদ আজিজুল হক।

সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, মিলন ভাইয়ের সাথে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। মিলন ভাই প্রথমত সাংবাদিকতার পেশাই ছিল না। আমার সাথে যখন ওনার প্রথম পরিচয় হয়, তখন তিনি ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তখন আমি ময়মনসিংহ হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে রোগী দেখি। মিলন ভাই বলতেন আমার আরেকটা পরিচয় আছে। আমি রাজনীতিও করি, চাকরিও করি। আমার সাথে ওনার ভালো একটা সম্পর্ক ছিল। আজ মিলন ভাই আমাদের মাঝে নেই। আমি ওনার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। সেই সাথে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

প্রেসক্লাব জামালপুরের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় মরহুমের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাব জামালপুরের কার্যকরী সদস্য প্রথম আলো জেলা প্রতিনিধি আব্দুল আজিজ, দ্য ডেইলি ফ্রন্ট নিউজ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেরুল্লাহ, জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলে এলাহী মাকাম, প্রেসক্লাব জামালপুরের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইমুম সাব্বির শোভন, কোষাধ্যক্ষ সাগর ফরাজি, কার্যকরী সদস্য আরিফ আকন্দ, সাংবাদিক তানভীর আহাম্মেদ হীরা প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন শহীদ হারুন সড়ক বাইতুল মামুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মো. রফিকুল ইসলাম।

স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রেসক্লাব জামালপুর ও অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক এর সকল সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ, গত ১৭ নভেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে গেইটপাড় এলাকায় তাহার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান।

এমআর/সবা