০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উত্তরা ইপিজেডে বন্ধ সনিক কারখানা চালুর দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন

নীলফামারীর উত্তরা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকা সনিক বাংলাদেশ লিমিটেড কারখানা পুনরায় চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শ্রমিকেরা। রোববার (২৩ নভেম্বর) বেলা ১১টায় ইপিজেডের প্রধান ফটকের সামনে এক ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে উত্তরা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালকের বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা।

মানববন্ধনে শ্রমিক নাজমুল হোসেন, শরিফুল মণ্ডল, রাবেয়া বেগম, আসমা বেগম, ইয়াসমিন, রুবেল রানা, আব্দুর রহমান ও সুজন ইসলাম বক্তব্য দেন। তাঁরা বলেন, “কারখানাটি শুধু কর্মস্থল নয়—এটি আমাদের জীবিকা, পরিবারের ভবিষ্যতের ভরসা। শান্ত ও স্থিতিশীল কর্মপরিবেশ বজায় রাখা সবার দায়িত্ব।”

তারা অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি ব্যক্তিগত স্বার্থে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। শ্রমিকদের প্রতি উসকানিতে পা না দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

শ্রমিকেরা আরও বলেন, “আমরা আর কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না, কোনো আন্দোলন চাই না। আমরা শুধু আমাদের কর্মস্থল ফিরে পেতে চাই। ইপিজেড চললে শ্রমিক বাঁচবে, শ্রমিক বাঁচলে পরিবার বাঁচবে।”

প্রসঙ্গত, ২৬ দফা দাবিতে গত ১৬ নভেম্বর সনিক ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করেন। ১৭ নভেম্বর মালিকপক্ষ দাবি মেনে নিলেও কিছু শ্রমিক এতে অসন্তুষ্ট থাকেন। পরদিন ১৮ নভেম্বর শতাধিক শ্রমিক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে কর্মবিরতি পালন করেন। কাজে ফিরতে অস্বীকৃতি ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় একই দিন কারখানা কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিবিতে শুরু হলো প্রাণিস্বাস্থ্য ও মৎস্য খাতের প্রদর্শনী

উত্তরা ইপিজেডে বন্ধ সনিক কারখানা চালুর দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৫:১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

নীলফামারীর উত্তরা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকা সনিক বাংলাদেশ লিমিটেড কারখানা পুনরায় চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শ্রমিকেরা। রোববার (২৩ নভেম্বর) বেলা ১১টায় ইপিজেডের প্রধান ফটকের সামনে এক ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে উত্তরা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালকের বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা।

মানববন্ধনে শ্রমিক নাজমুল হোসেন, শরিফুল মণ্ডল, রাবেয়া বেগম, আসমা বেগম, ইয়াসমিন, রুবেল রানা, আব্দুর রহমান ও সুজন ইসলাম বক্তব্য দেন। তাঁরা বলেন, “কারখানাটি শুধু কর্মস্থল নয়—এটি আমাদের জীবিকা, পরিবারের ভবিষ্যতের ভরসা। শান্ত ও স্থিতিশীল কর্মপরিবেশ বজায় রাখা সবার দায়িত্ব।”

তারা অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি ব্যক্তিগত স্বার্থে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। শ্রমিকদের প্রতি উসকানিতে পা না দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

শ্রমিকেরা আরও বলেন, “আমরা আর কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না, কোনো আন্দোলন চাই না। আমরা শুধু আমাদের কর্মস্থল ফিরে পেতে চাই। ইপিজেড চললে শ্রমিক বাঁচবে, শ্রমিক বাঁচলে পরিবার বাঁচবে।”

প্রসঙ্গত, ২৬ দফা দাবিতে গত ১৬ নভেম্বর সনিক ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করেন। ১৭ নভেম্বর মালিকপক্ষ দাবি মেনে নিলেও কিছু শ্রমিক এতে অসন্তুষ্ট থাকেন। পরদিন ১৮ নভেম্বর শতাধিক শ্রমিক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে কর্মবিরতি পালন করেন। কাজে ফিরতে অস্বীকৃতি ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় একই দিন কারখানা কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে।

এমআর/সবা