০৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবিতে শাটল ট্রেনে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী রামপ্রসাদ সাহা ফিন্যান্স বিভাগের ১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে শহরগামী শাটলে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

রামপ্রসাদ জানান, বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে তিনি শাটলে সিট নিয়ে বসেন। পাশের ও সামনের সিটে কয়েকজন বসে ছিলেন। এসময় আরেকজন এসে বসার জায়গা চান। তিনি জায়গা দিলেও ওই ব্যক্তি অভিযোগ করতে থাকেন যে জায়গা কম। এরপর সামনের সিটে বসা একজন এসে জানতে চান, “তুই কি স্টুডেন্ট?” পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে মিথ্যা বলার অভিযোগ তুলে আইডি কার্ড দেখাতে বলা হয়। তিনি কার্ড দেখানোর পরও কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালায়।

রামপ্রসাদ বলেন, “আমার কানের এক পাশে আগেই ইনজুরি ছিল। তারা বারবার সেই জায়গায় আঘাত করে। একসময় আমি প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাই। ভিডিও করতে গেলে মোবাইল কেঁড়ে নেয়। আমাকে ট্রেন থেকে নামিয়ে স্টেশনে বসিয়ে মারধর করে, পরে আবার ট্রেনে এনে আঘাত করে।”

তিনি আরও জানান, ছয় বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন, কোনো খারাপ কর্মকাণ্ড বা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তার দাবি— “এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। প্রশাসন যেন অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরই আমরা দুইজন সহযোগী প্রক্টরকে শহর স্টেশনে পাঠাই। তারা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপরও অভিযোগ থাকলে প্রক্টর অফিসে জানালে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

চবিতে শাটল ট্রেনে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:২৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী রামপ্রসাদ সাহা ফিন্যান্স বিভাগের ১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে শহরগামী শাটলে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

রামপ্রসাদ জানান, বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে তিনি শাটলে সিট নিয়ে বসেন। পাশের ও সামনের সিটে কয়েকজন বসে ছিলেন। এসময় আরেকজন এসে বসার জায়গা চান। তিনি জায়গা দিলেও ওই ব্যক্তি অভিযোগ করতে থাকেন যে জায়গা কম। এরপর সামনের সিটে বসা একজন এসে জানতে চান, “তুই কি স্টুডেন্ট?” পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে মিথ্যা বলার অভিযোগ তুলে আইডি কার্ড দেখাতে বলা হয়। তিনি কার্ড দেখানোর পরও কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালায়।

রামপ্রসাদ বলেন, “আমার কানের এক পাশে আগেই ইনজুরি ছিল। তারা বারবার সেই জায়গায় আঘাত করে। একসময় আমি প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাই। ভিডিও করতে গেলে মোবাইল কেঁড়ে নেয়। আমাকে ট্রেন থেকে নামিয়ে স্টেশনে বসিয়ে মারধর করে, পরে আবার ট্রেনে এনে আঘাত করে।”

তিনি আরও জানান, ছয় বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন, কোনো খারাপ কর্মকাণ্ড বা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তার দাবি— “এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। প্রশাসন যেন অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরই আমরা দুইজন সহযোগী প্রক্টরকে শহর স্টেশনে পাঠাই। তারা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপরও অভিযোগ থাকলে প্রক্টর অফিসে জানালে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এমআর/সবা