১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাবির অ্যাকাডেমিক ভবনের ছাদে আগুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী অ্যাকাডেমিক ভবনের ছাদে নাট্যকলা বিভাগের পুরোনো সরঞ্জামে আগুন লেগেছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদের এক কোণে থাকা কাঠ, খড়কুটো, কাগজ-বোর্ডসহ নাট্যকলার বিভিন্ন পুরোনো সরঞ্জামে আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, কেউ সিগারেট ফেলে দিয়েছে অথবা ছাদের ওপর রাখা কাচের মাধ্যমে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা ধোঁয়া দেখে দৌড়ে এসে বালতি ভর্তি পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকার কারণে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে কিছুটা সময় লেগেছে।

খবর পেয়ে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে বড় ধরনের ক্ষতি না হলেও শিক্ষার্থী ও বিভাগের শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী নীরব বলেন, “আগুনের ধোঁয়া দেখার সঙ্গে সঙ্গে আমরা উপরে উঠে বালতি ভর্তি পানি নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। গ্যাস সিলিন্ডারগুলোতে তেমন কোনো গ্যাস ছিল না, কিছুতে হালকা পরিমাণ ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।”

অধ্যাপক ড. আরিফ হায়দার বলেন, “আমি নিচে ক্লাস নিয়ে যাওয়ার সময় উপরে ধোঁয়া উড়তে দেখেছি। আমরা দরজা খুলে গিয়ে বালতি পানি ও আগুননির্বাপক সিলিন্ডার ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। মনে হয় কেউ সিগারেট ফেলে রাখায় আগুন লেগেছে।”

ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের রাবি শাখার পরিচালক মো. ওয়ালিদ হোসেন জানান, “আগুন লাগার খবর পেয়ে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পাইপের মাধ্যমে পানি নিয়ে ছাদ পর্যন্ত পৌঁছানো হয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।”

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

রাবির অ্যাকাডেমিক ভবনের ছাদে আগুন

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী অ্যাকাডেমিক ভবনের ছাদে নাট্যকলা বিভাগের পুরোনো সরঞ্জামে আগুন লেগেছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদের এক কোণে থাকা কাঠ, খড়কুটো, কাগজ-বোর্ডসহ নাট্যকলার বিভিন্ন পুরোনো সরঞ্জামে আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, কেউ সিগারেট ফেলে দিয়েছে অথবা ছাদের ওপর রাখা কাচের মাধ্যমে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা ধোঁয়া দেখে দৌড়ে এসে বালতি ভর্তি পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকার কারণে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে কিছুটা সময় লেগেছে।

খবর পেয়ে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে বড় ধরনের ক্ষতি না হলেও শিক্ষার্থী ও বিভাগের শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী নীরব বলেন, “আগুনের ধোঁয়া দেখার সঙ্গে সঙ্গে আমরা উপরে উঠে বালতি ভর্তি পানি নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। গ্যাস সিলিন্ডারগুলোতে তেমন কোনো গ্যাস ছিল না, কিছুতে হালকা পরিমাণ ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।”

অধ্যাপক ড. আরিফ হায়দার বলেন, “আমি নিচে ক্লাস নিয়ে যাওয়ার সময় উপরে ধোঁয়া উড়তে দেখেছি। আমরা দরজা খুলে গিয়ে বালতি পানি ও আগুননির্বাপক সিলিন্ডার ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। মনে হয় কেউ সিগারেট ফেলে রাখায় আগুন লেগেছে।”

ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের রাবি শাখার পরিচালক মো. ওয়ালিদ হোসেন জানান, “আগুন লাগার খবর পেয়ে দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পাইপের মাধ্যমে পানি নিয়ে ছাদ পর্যন্ত পৌঁছানো হয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।”

এমআর/সবা