বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এ দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এসময় মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর জীবনের সকল নেক আমল কবুল করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করার জন্য দোয়া করা হয়।
দোয়া-মোনাজাতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করেন।
দোয়া-মোনাজাত পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক আপসহীন, দৃঢ়চেতা ও দেশপ্রেমিক নেত্রী। গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে জাতি এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল। আমরা মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাআলা যেন তাঁর জীবনের সকল নেক আমল কবুল করেন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও দেশবাসীকে এই গভীর শোক সইবার শক্তি দান করুন।”
দোয়া-মোনাজাত শেষে উপস্থিত মুসল্লিরা বলেন, দেশের রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন দৃঢ়চেতা ও আপসহীন রাজনৈতিক নেত্রীকে হারিয়েছে।
উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গভীর শোক প্রকাশ করে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় মসজিদে এ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
শু/সবা




















