লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে রনি মিয়া (২২) নামে এক বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছেন। বিজিবির সহায়তায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত রনি মিয়া জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে। বর্তমানে রনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধীনস্থ দইখাওয়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি জানায়, বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধীনস্থ দইখাওয়া বিওপির একটি টহলদল নিয়মিত সীমান্ত টহল চলাকালে হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পায়। পরে সীমান্ত পিলার নম্বর ৯০২-এর নিকটবর্তী এলাকায় গিয়ে কয়েকজন লোককে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যায় এবং গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছিল। এ সময় বিজিবি আহত রনি মিয়াকেকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
বিজিবি আরো জানায়, এর আগেও গত ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ছররা গুলিতে আহত হন রনি। ওই ঘটনার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার বাড়িতে গেলে প্রথমে পরিবারের পক্ষ থেকে তার উপস্থিতি অস্বীকার করা হয়। আহত রনি ওই সীমান্ত এলাকায় মাদক বহন ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, বিজিবি ঘটনা বুঝতে পেরে গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশীর প্রাণ রক্ষায় তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার কথা বলে। পরে এ্যাম্বুলেন্স যোগে স্থানীয়দের সহায়তায় রংপুরে যায় ওই ব্যক্তি। এর আগেও একই ব্যক্তি সীমান্তে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরও বলেন, বারবার সতর্ক করার পরও সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। এ ব্যাপারে সকলকে সচেতন হতে হবে।
শু/সবা




















