০২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাইব্যুনালে প্রথম জুলাই হত্যা মামলার আসামির জামিন

জুলাই বিপ্লবের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথমবারের মতো একজন আসামিকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তার নাম হুমায়ুন কবির পাটোয়ারি। তিনি লক্ষীপুরের উপজেলা পর্যায়ের একজন আওয়ামী লীগ নেতা।

রোববার বিচারপতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মঞ্জুরুল বাসিত ও জেলা ও দায়রা নুর মোহাম্মদ শাহারিয়ার কবির।

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে। ইতোপূর্বে আসামির দুই ভাই একই রোগে মারা যায়।

আদালত চারটি শর্তে আসামির জামিন মঞ্জুর করে।

প্রথম, জামিনের পর আসামি যেখানে থাকবেন তার ঠিকানা ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করবে।

দ্বিতীয়, কোনো মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য দেওয়া বা যুক্ত হতে পারবে না।

তৃতীয়, ঠিকানা পরিবর্তন করলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তাকে এবং রেজিস্টারকে জানাতে হবে।

চতুর্থ, এ মামলার কোনো সাক্ষীর সঙ্গে যোগাযোগ বা হুমকি দেওয়া যাবে না।

উপরিউক্ত কোনো শর্ত ভঙ্গ হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করতে পারবেন। কখনও জামিন দেওয়া হবে না বলেও জানান ট্রাইব্যুনাল।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের হাহাকার

ট্রাইব্যুনালে প্রথম জুলাই হত্যা মামলার আসামির জামিন

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথমবারের মতো একজন আসামিকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তার নাম হুমায়ুন কবির পাটোয়ারি। তিনি লক্ষীপুরের উপজেলা পর্যায়ের একজন আওয়ামী লীগ নেতা।

রোববার বিচারপতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মঞ্জুরুল বাসিত ও জেলা ও দায়রা নুর মোহাম্মদ শাহারিয়ার কবির।

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে। ইতোপূর্বে আসামির দুই ভাই একই রোগে মারা যায়।

আদালত চারটি শর্তে আসামির জামিন মঞ্জুর করে।

প্রথম, জামিনের পর আসামি যেখানে থাকবেন তার ঠিকানা ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করবে।

দ্বিতীয়, কোনো মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য দেওয়া বা যুক্ত হতে পারবে না।

তৃতীয়, ঠিকানা পরিবর্তন করলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তাকে এবং রেজিস্টারকে জানাতে হবে।

চতুর্থ, এ মামলার কোনো সাক্ষীর সঙ্গে যোগাযোগ বা হুমকি দেওয়া যাবে না।

উপরিউক্ত কোনো শর্ত ভঙ্গ হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করতে পারবেন। কখনও জামিন দেওয়া হবে না বলেও জানান ট্রাইব্যুনাল।

এমআর/সবা