০২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত দুই হাজার

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অন্তত দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। তবে সুনির্দিষ্ট সংখ্যার তথ্য তিনি দেননি। নিহতদের জন্য তিনি দায়ী করেছেন “সন্ত্রাসীদের।”

ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয় ২৮ ডিসেম্বর থেকে, যা মূলত অর্থনৈতিক সংকট এবং সরকারের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে। বিক্ষোভকে দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্ব “ন্যায্য” হিসেবে স্বীকার করলেও, একই সঙ্গে কঠোর নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে। তেহরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিক্ষোভকে উসকানি দিচ্ছে এবং অজ্ঞাত “সন্ত্রাসীরা” সাধারণ জনগণের প্রতিবাদকে ছিনতাই করেছে।

এছাড়া, বিক্ষোভের কারণে ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সামরিক গ্রেডের জ্যামার ব্যবহার করে স্টারলিঙ্কের ইন্টারনেটও অচল করে দেওয়া হয়েছে।

রয়টার্স যাচাই করেছে বিক্ষোভের ভিডিওগুলোতে গুলিবর্ষণ, গাড়ি ও ভবনে অগ্নিসংযোগ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের দৃশ্য স্পষ্ট দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও বিক্ষোভে শত শত মানুষের প্রাণহানির এবং হাজার হাজার গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত দুই হাজার

আপডেট সময় : ০৬:২৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অন্তত দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। তবে সুনির্দিষ্ট সংখ্যার তথ্য তিনি দেননি। নিহতদের জন্য তিনি দায়ী করেছেন “সন্ত্রাসীদের।”

ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয় ২৮ ডিসেম্বর থেকে, যা মূলত অর্থনৈতিক সংকট এবং সরকারের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে। বিক্ষোভকে দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্ব “ন্যায্য” হিসেবে স্বীকার করলেও, একই সঙ্গে কঠোর নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে। তেহরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিক্ষোভকে উসকানি দিচ্ছে এবং অজ্ঞাত “সন্ত্রাসীরা” সাধারণ জনগণের প্রতিবাদকে ছিনতাই করেছে।

এছাড়া, বিক্ষোভের কারণে ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সামরিক গ্রেডের জ্যামার ব্যবহার করে স্টারলিঙ্কের ইন্টারনেটও অচল করে দেওয়া হয়েছে।

রয়টার্স যাচাই করেছে বিক্ষোভের ভিডিওগুলোতে গুলিবর্ষণ, গাড়ি ও ভবনে অগ্নিসংযোগ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের দৃশ্য স্পষ্ট দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও বিক্ষোভে শত শত মানুষের প্রাণহানির এবং হাজার হাজার গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

শু/সবা