০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে স্পিরিট পানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬

রংপুরে রেকটিফায়েড স্পিরিট পানে অসুস্থ হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত তিন দিনে জেলায় স্পিরিট পানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়জনে। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ নিহতরা হলেন রংপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর বন্দর কলেজপাড়ার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম এবং বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মালেক। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার দিবাগত মধ্যরাতে বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুরহাট এলাকার মাদককারবারি জয়নুল আবেদীনের বাড়ি থেকে রেকটিফায়েড স্পিরিট পান করেন কয়েকজন। এরপর তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের মধ্যে রংপুর সদর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের জেননাত আলী, বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন এবং পূর্ব শিবপুর গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল মিয়া মারা যান।

এছাড়া একই ধরনের ঘটনায় নগরীর হাজিরহাট এলাকায় স্পিরিট পান করে অসুস্থ হন সদর কোতোয়ালি থানার শিবের বাজার পশ্চিম হিন্দুপাড়ার মৃত অনিল চন্দ্র রায়ের ছেলে মানিক চন্দ্র রায় (৬০)। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, আরও কয়েকজন অসুস্থ হয়ে গোপনে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ ঘটনার পর পুলিশ মাদককারবারি জয়নুল আবেদীনকে গ্রেপ্তার করেছে। তার কাছ থেকে ১০ বোতল রেকটিফায়েড স্পিরিট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বদরগঞ্জ ও হাজিরহাট থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার এবং সদর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর স্পিরিট পানে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে স্পিরিট পানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

রংপুরে রেকটিফায়েড স্পিরিট পানে অসুস্থ হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত তিন দিনে জেলায় স্পিরিট পানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়জনে। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ নিহতরা হলেন রংপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর বন্দর কলেজপাড়ার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম এবং বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মালেক। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার দিবাগত মধ্যরাতে বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুরহাট এলাকার মাদককারবারি জয়নুল আবেদীনের বাড়ি থেকে রেকটিফায়েড স্পিরিট পান করেন কয়েকজন। এরপর তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের মধ্যে রংপুর সদর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের জেননাত আলী, বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন এবং পূর্ব শিবপুর গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল মিয়া মারা যান।

এছাড়া একই ধরনের ঘটনায় নগরীর হাজিরহাট এলাকায় স্পিরিট পান করে অসুস্থ হন সদর কোতোয়ালি থানার শিবের বাজার পশ্চিম হিন্দুপাড়ার মৃত অনিল চন্দ্র রায়ের ছেলে মানিক চন্দ্র রায় (৬০)। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, আরও কয়েকজন অসুস্থ হয়ে গোপনে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ ঘটনার পর পুলিশ মাদককারবারি জয়নুল আবেদীনকে গ্রেপ্তার করেছে। তার কাছ থেকে ১০ বোতল রেকটিফায়েড স্পিরিট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বদরগঞ্জ ও হাজিরহাট থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার এবং সদর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর স্পিরিট পানে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শু/সবা