কক্সবাজার শহরের বাইপাস সড়কের কলাতলী আদর্শ গ্রাম এলাকায় একটি গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে। সাথে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবির ইউনিটও যুক্ত হয় আগুন নেভানোর কাজে।
শহরের কলাতলী বাস টার্মিনাল বাইপাস সড়কে এন আলম ফিলিং স্টেশন নামের একটি গ্যাস পাম্পে রাত ৮টার দিকে প্রথমে পাম্পের গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর দমকল বাহিনীর লোকজন গিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনে।
দ্বিতীয় দফায় রাত ৯টার দিকে গ্যাস লিক হওয়ার পর ট্যাংকি থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয় এসময় এলাকায় আগুন না ধরাতে এবং ধুমপান না করতে মাইকিংও করা হয়। এর কিছুক্ষন পর আবার আগুন ধরে যায়। বিস্ফোরণের আগুনে পাম্পের আশেপাশের প্রায় ৫০টি বাড়িঘর ও দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে এঘটনায় অন্তত: ৩০ টি জীপ গাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট জীপ গাড়ীর মালিক শামসুদ্দিন। পাম্পের আশে পাশে গাড়ীগুলো পার্কিং করে রেখেছিলো বলে জানান তিনি।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার বলেন, দগ্ধ মোট ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আর বাকীদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে চমেকে প্রেরণ করা ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও গ্যাসের ট্যাংকি থেকে এখনও মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। তাই এখনও ঝুঁকি আছে তাই আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, গ্যাস স্টেশনটির লাইসেন্স নেই। ফায়ার সার্ভিসের ও অনুমতি নেওয়া হয়নি।
বিস্ফোরণের পর বাস টার্মিনাল থেকে শহরের বাইপাস সড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এবং বিকল্প সড়কে কিছু যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণ এলে রাত ৩টার পর থেকে পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়।
শু/সবা























