১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সমুদ্র পথে মানব পাচার চেষ্টা,  টেকনাফ থেকে উদ্ধার ৩২

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায় সাগর পথে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে  ৩২ জন নারী, পুরুষ ও শিশু  উদ্ধার। যার মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি ও ১১ জন রোহিঙ্গা।
৮ মার্চ, রবিবার ভোরে কোস্টগার্ড ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে এদের উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহারছড়ার ইউনিয়নের নোয়াখালি জুম্মাপাড়া এলাকার  মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য মো. আব্দুল আলীর পেঁপে বাগানে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত বাগানে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩২ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধারদের মধ্যে ২১ বাংলাদেশি সকলেই পুরুষ। ১১ জন রোহিঙ্গার মধ্যে পুরুষ ৬ জন, নারী ২ জন এবং ৩ জন শিশু।
উদ্ধারকারীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
পরে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
শু/সবা

কক্সবাজারে রাখাইন নারী ফোরামের আয়োজনে নারী দিবস পালিত

সমুদ্র পথে মানব পাচার চেষ্টা,  টেকনাফ থেকে উদ্ধার ৩২

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায় সাগর পথে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে  ৩২ জন নারী, পুরুষ ও শিশু  উদ্ধার। যার মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি ও ১১ জন রোহিঙ্গা।
৮ মার্চ, রবিবার ভোরে কোস্টগার্ড ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে এদের উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহারছড়ার ইউনিয়নের নোয়াখালি জুম্মাপাড়া এলাকার  মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য মো. আব্দুল আলীর পেঁপে বাগানে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত বাগানে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩২ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধারদের মধ্যে ২১ বাংলাদেশি সকলেই পুরুষ। ১১ জন রোহিঙ্গার মধ্যে পুরুষ ৬ জন, নারী ২ জন এবং ৩ জন শিশু।
উদ্ধারকারীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
পরে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
শু/সবা