8:58 pm, Wednesday, 1 July 2026

গাইবান্ধায় নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত, গুরুতর আহত দাদা

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত এবং দাদা গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার খামার পবনতাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বৃদ্ধার নাম ফেরেজা বেগম (৬৬)। গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর স্বামী আব্দুল করিম (৭০)। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত নাতিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয়রা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। এর জেরে বুধবার দুপুরে নাতি ধারালো ছুরি নিয়ে দাদা-দাদির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে দুজনই গুরুতর আহত হন।

হামলায় ফেরেজা বেগমের হাতের কবজি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া তাঁর গাল ও গলায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। দুজনের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করেন। পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত নাতিকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

স্বজনরা আহতদের প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফেরেজা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। আব্দুল করিমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযুক্ত যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

thirteen + 7 =

About Author Information

Popular Post

পানির সংকট নিরসনে ৫টি গভীর নলকূপ বসানো হচ্ছে

গাইবান্ধায় নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত, গুরুতর আহত দাদা

Update Time : ০৭:২৯:২১ pm, Wednesday, ১ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত এবং দাদা গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার খামার পবনতাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বৃদ্ধার নাম ফেরেজা বেগম (৬৬)। গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর স্বামী আব্দুল করিম (৭০)। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত নাতিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয়রা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। এর জেরে বুধবার দুপুরে নাতি ধারালো ছুরি নিয়ে দাদা-দাদির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে দুজনই গুরুতর আহত হন।

হামলায় ফেরেজা বেগমের হাতের কবজি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া তাঁর গাল ও গলায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। দুজনের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করেন। পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত নাতিকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

স্বজনরা আহতদের প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফেরেজা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। আব্দুল করিমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযুক্ত যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

শু/সবা